এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অনশনের সমর্থনে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ

২০দিন অতিক্রান্ত, তাঁরা মেয়ো রোডের সামনে খোলা আকাশের নিচে রিলে অনশন চাালিয়ে যাচ্ছেন।ইতিমধ্যেই তাঁদের মধ্যে বেশ কিছুজন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এঁরা সকলেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় সফল হয়ে,স্কুলে চাকরি পাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন। বুধবার অনশনরত চকরিপ্রার্থীদের ডাকা কনভেনশনে হাজির হয়ে মীরীতুন নাহার, মন্দাক্রান্তারা সরকারের উদাসীনতার পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীদের শারিরীক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন। তবে এতদিন পরও সরকারের হেলদোল নেই এতটুকু।

অনশনকারীদের অভিযোগ বছরের পর বছর কেটে গেলেও এঁদের নিয়োগ করার বিষয়ে কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার।শেষ পর্যন্ত তাই বাধ্য হয়ে প্রায় সাড়ে তিনশো এরকম চাকরিপ্রার্থি রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে মেয়ো রোডের সংযোগ স্থলে অনশন শুরু করেন।শিক্ষামন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন আগে অনশন তুলতে হবে তারপর কথা।অন্যদিকে চাকরিপ্রার্থিদের বক্তব্য তারা তো বাধ্য হয়েই এই রাস্তা বেছে নিয়েছেন,তাই কোন নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি না পেলে কিসের ভিত্তিতে তারা অনশন তুলবেন!!ইতিমধ্যেই এই অনশন মঞ্চে এসে সহমর্মিতা জানিয়েছেন মানবাধির কর্মী থেকে শিক্ষাবিদ,বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা,তবে সরকারের তরফে কোন উদ্যোগ চোখে পড়া নি,বরং এদের অনশন তুলে দিতে পুলিশ নানাভাবে চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বৃষ্টির সময় অনশন মঞ্চের মাথায় ত্রিপল টাঙাতে পুলিশ বাঁধা দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এরই মধ্যে ২০ মার্চ অনশন মঞ্চেই গণ কনভেনশন করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রতিবাদী চাকরিপ্রার্থিরা।বিকেল চারটে থেকে কনভেনশন শুরু হবে।সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষকে উপস্থিত হয়ে তাঁদের বক্তব্য রাখার আবেদন করছেন এইসব প্রতিবাদী চাকরিপ্রার্থিরা।এঁরা চান সকল মানুষ তাদের পাশে দাঁড়ান,তাদের সমর্থনে এগিয়ে আসুন।আন্দোলনকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাদের কথা বিবেচনা করার আবেদন করেছেন কবি শঙ্খ ঘোষ,বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী,শিক্ষাবিদ মিরাতুন নাহার,পবিত্র সরকার,মানবাধিকার কর্মী ও অধ্যাপক সুজাত ভদ্র,সিপিআইএম নেতা ও বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সহ আর অনেকে।