মুখ্যমন্ত্রীর অাশ্বাসের ভরসায় ২৯ দিনে উঠল অনশনে, তবে কাটছে না সংশয়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অাশ্বাস ও সরকারি অাধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর ২৯ দিনের মাথায়, বৃহষ্পতিবার অনশন প্রত্যাহার করে নিলেন এসএসএস উর্ত্তীণ চাকরিপ্রার্থীরা। সরকারের তরফে গঠিত কমিটির সঙ্গে অনশনকারীদের ৫ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলের বৃহষ্পতিবার বৈঠক হয়। জুন মাস পর্যন্ত তাঁদের দাবি ও অভিযোগগুলি পরীক্ষা করে দেখার জন্য সময় চেয়েছে সরকার গঠিত কমিটি। অনশনকারীদের তরফে জানান হয়েছে দাবি মানা না হলে অাবারো তাঁরা অনশনে বসবেন।

বুধবার অনশন মঞ্চে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সুবিচারের অাশ্বাস দেন এবং বলেন যেহেতু নির্বাচনী অাচরণ বিধি লাগু অাছে তাই তিনি এবিষয় কিছু করতে পারবেন না এখনই। ভোট হয়ে গেলে তিনি প্রয়োজনে অাইন পরিবর্তন করে অনশনকারীদের ভবিষ্যত যাতে সুরক্ষিত হয় তার ব্যবস্থা করবেন। তার পর চেতলার বাজারে অালু পটল কিনতে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী। অাদর্শ নির্বাচনবিধি লাগু থাকার কারণে এখনই কিছু করতে পারছেন না, মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আইনজীবী ও কংগ্রেস নেতা অরুণাভ ঘোষ জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে আইনকে ঢাল করেছেন। বিষয়টির সমাধান করতে আন্তরিক হলে তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে এ বিষয়ে তাঁর প্রতিশ্রুতি সরকারিভাবেই ঘোষণা করতে পারতেন। অরুণাভবাবুর মতে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হলেও এই বিষয়টা যে হেতু খুবই স্পর্শকাতর তাই মুখ্যমন্ত্রী কমিশনকে জানিয়েই বিষয়টির সমাধান করার দিকে এগুতে পারতেন।তা না করে আইনকে ঢাল করে তিনি অনশনকারীদের আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার কৌশল নিলেন।একই মত আইনজীবী জয়ন্ত নাারায়ণ চট্টোপাধ্যায়েরও,তাঁর মতে এখানে নির্বাচন বিধির প্রসঙ্গটা তেমন জরুরি নয়। যেহেতু এটা পুরনো দাবি,এবং আইনগত ভাবেই অনশনকারীরা তাঁদের চাকরীর প্রতিশ্রুতি দাবি করছিলেন।জয়ন্তবাবু বলেন মুখ্যমন্ত্রী একেবারে কৌশল করেই নির্বাচনি বিধির কথা বলে তাঁর দায় এড়িয়ে গেলেন।

,