জেটের অচলাবস্থার জন্য দায়ী নরেশ গোয়েলকে অাড়াল করা হচ্ছে কেন?

জেট এয়ারওয়েজের অচলাবস্থা কাটার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কর্মীদের বেতন হচ্ছে না। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। বন্ধ রয়েছে জেটের অান্তর্জাতিক উড়ান। অর্থের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে জেট এয়ার ওয়েজ। অথচ অার পর্দার ওপারে মালিকানা নিয়ে চলছে নাটক। জেটের কে হবে নতুন মালিক তা এখন সুনিশ্চিত নয়। মাঝে মধ্যেই শোনা যাচ্ছে নরেশ গোয়েলও নাকি রয়েছেন দৌড়ে। যদিও মঙ্গলবারের মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী মালিকানার নিলামে নাকি তিনি যোগ দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন গোয়েল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যে নরেশ গোয়েল ও তাঁর ইস্তফার শর্তেই তো ব্যাঙ্ক জেটে টাকা ঢালতে রাজি হয়েছিল। তাহলে হঠাত্ নরেশ গোযেল নাম উঠে অাসছে কেন?

এই পরিস্থিতিতে সরকারের তরফে ব্যাঙ্কগুলোকে জেটের অার্থিক স্বাস্থ্য উদ্ধারের জন্য অনুরোধ( পড়ুন নির্দেশ দেওয়া হয়)। সেই মত স্টেট ব্যাঙ্ক তার ঋণকে শেয়ারে পরিণত করে পরিচালন সমিতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই সঙ্গে এসবিঅাই এর নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের কনসোর্সিয়ামও জেটকে ১৫০০ কোটি টাকা নতুন করে ঋণ দিতে সম্মত হয়। এখন অবশ্য স্টেট ব্যাঙ্ক টাকা ঢালার বিষয় টালবাহানা করছে। কিন্তু এই সব বিষয়ের মধ্যে সব থেকে বড় যে প্রশ্নটা ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে তা হল জেটের অার্থিক দুরবস্থার জন্য দায়ী যে নরেশ গোয়েল সে কি শুধুমাত্র ইস্তফা দিয়েই কি তাঁর দায় এড়াতে পারেন ? মনে রাখতে হবে বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংফিশার এয়ারের বিজয় মালিয়াও এই ব্যাঙ্কের ৯০০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে হজম করে বিদেশে পালিয়ে ছিলেন। তাই প্রশ্ন উঠছে নরেশ গয়েলকেও কি বাঁচানোর রাস্তা করে দিল কেউ?( জেটের অন্ধকার দিক জানতে পড়ুন A FEAST OF VULTURES – JOSY JOSEPH) যে নরেশ গয়েলের বিরুদ্ধে দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে তাঁকে এত সহজে রেহাই দিল কেন সরকার? কেন একটি বেসরকারি সরকার সেই বেসরকারি বিমান সংস্থাকে বাঁচাতে ঋণ দেওয়ার জন্য সরকারি ব্যাঙ্কগুলোকে নির্দেশ দিল কেন? এই অনেক কেনোর উত্তর এখনই পাওয়া না গেলেও জেটের কর্মীদের জন্য অাপাতত কিছুটা স্বস্তির খবর।

,