সরকার গড়তে দল তৃণমূলের সাহায্য নিলে মানতে হবে তাঁদের- জানালেন অসহায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি

এ রাজ্যে তারা বিজেপি ও তৃণমূলকে সমান শত্রু বলে ধরে লড়াই করছে।এমনকী সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে বিজেপি ও তৃণমূলকে একই রকম বিপজ্জনক বলেও প্রচার চালাচ্ছে।তবু ভোটের পর দিল্লিতে সরকার গড়ার প্রয়োজনে যে তৃণমূলের সাহায্য তাদের দরকার হতে পারে তা মেনে নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র।বুধবার কলকাতা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মিট দ্য প্রেসে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জানান, সর্বভারতীয় দল হওয়ার কিছু বাধ্যবাধকতা তাঁদের মেনে নিতে হয়,সেই জন্যই এ রাজ্যের শাসক দল সম্পর্কে কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে কখোন কখোন রাজ্য নেতাদের দৃষ্টিবঙ্গির ফারাক দেখা দেয়।এবারের নির্বাচনে প্রদেশ কংগ্রেস বিজেপি ও তৃণমূলকে সমান শত্রু চিহ্নিত করলেও সর্বভারতীয় রাজনীতির প্রয়োজনে তৃণমূলের সাহায্য কংগ্রেস নিতে পারে এবং সেক্ষেত্রে প্রদেশ কংগ্রেসকে তা মেনে নিতেই হবে,বলে মেনে নেন সোমেন মিত্র।এদিন সোমেনবাবু অভিযোগ করেন এ রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে অগণতান্ত্রীক ও সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিচ্ছে সেই একই রাজনীতির প্রসার ঘটাচ্ছে বিজেপি গোটা দেশ জুড়ে।তাঁর মতে তাই ঐ দুই শক্তিকেই এবার প্রতিহত করতে হবে।এ রাজ্যে কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি যে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে তা মেনে নিয়েও সোমেনবাবুর দাবি কংগ্রেস এ রাজ্যে আবার ঘুরে দাঁড়াবে,এবারও তারা এ রাজ্য থেকে অন্তত চার-পাঁচটি আসন পাবেন বলে দাবি করেন সোমেন মিত্র।কংগ্রেসের নের্তৃত্বাধীন সরকার দেশে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন তারপর তারা এ রাজ্যে বামদের সঙ্গে আবার বোঝাপড়ার ভিত্তিতে রাজ্য থেকে বিজেপি ও তৃণমূলকে হটাতে প্রয়াস শুরু করবেন।বামদের সঙ্গে বোঝাপড়ার দরজা যে একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয় নি তাও জানান সোমেন মিত্র।