প্রিয়ঙ্কাদের জামিন হয় ৭২ ঘন্টায় সাইবাবারা জেলে থাকেন বছরের পর বছর!

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায়ের ছবি বিকৃত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করায় বিজেপির যুব মোর্চার নেত্রী প্রিয়ঙ্কা শর্মাকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে তাঁকে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ অাদালত। এক তৃণমূল নেতার অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১০ মে পুলিস প্রিয়ঙ্কাকে গ্রেফতার করে। নিম্ন অাদালত তাঁকে জেলে পাঠায়। প্রিয়ঙ্কাকে গ্রেফতার করা সঠিক না বেঠিক তা অাদালত বিচার করবে তবে যেটা লক্ষনীয় বিষয় এরকম একটি মামলা এত দ্রুত শুনতে রাজি হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্ট। এই ধরনের কোন মামলায় হাইকোর্টে না গিয়ে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এত দ্রুত জামিন পাওয়ার নজির অার অাছে কি ? অন্য দিকে শারীরিককভাবে ৯০ শতাংশ প্রতিবন্ধী এক অধ্যাপক সাইবাবাকে মাওবাদী তকমা দিয়ে ৫ বছর ধরে জেল অাটকে রাখলেও অাদালত তাঁর সুচিকিত্সার বিষয় ছাড় দিতে নারাজ। দেশের নানা জেলে হতদরিদ্র অসংখ্য মানুষ শুধু জামিনের টাকা জোগাড় করতে পারেন না বলেই বছরের পর বছর জেলে কাটিয়ে দেন বলে জানাচ্ছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তাই প্রশ্ন উঠছে ন্যায় বিচার কি শুধুই বিত্তশালী ও অর্থবানদের জন্য!