তান্ডব নিয়ে চাপানউতোর শুরু, চলবে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত।

মঙ্গলবার অমিত শাহের রোড শোকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের বিক্ষোভ অও বিজেপির তান্ডবের দায় নিয়ে শুরু হয়ে গেছে চাপান উতোর। দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বুধবার দাবি করেছেন তাঁদের সমর্থকেরা বিদ্যাসাগরের কলেজের ভিতর ঢোকেনইনি। তৃণমূলের লোকজন বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে সহানুভুতি পেতে চাইছে। একই সুরে কলকাতায় বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা অভিযোগ করেছেন কলেজে দাগি ও বহিরাগতরা উপস্থিত থেকেই এই কান্ড ঘটিয়েছে। মঙ্গলবারের হিংসা নিয়ে অারো কিছুদিন অারোপ পাল্টা অারোপ চলবে। কিন্তু দুটো সংসদীয় শাসকদলের হিংসায় উসকানি ও অংশগ্রহণের পর অাইনের শাসন নিয়ে গলাবাজি করা কি সাজে ? এরাই সংসদে গিয়ে অাইন তৈরি করে দেশবাসীকে অাইনের শাসনে বেঁধে রাখবেন? অাসলে ক্ষমতা দখলের জন্য এই সব দল কখনও দাঙ্গা, কখনও সংখ্যালঘু নিধন, কখন মাওবাদী তকমা দিয়ে হয় মানুষকে জেলে ভরা বা হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। অার এর পরও চিত্কার করে এই সব দলের নেতারা দাবি করবেন বিশ্বের সবথেকে বড় গণতান্ত্রিক দেশ হল ভারত। বটেই তো! সত্যি কি ভোট দিয়ে প্রকৃত গণতন্ত্রকে সুনিশ্চিত করা যায় ?নাকি তার জন্য প্রয়োজন নাগরিকদের সারাবছরের নজরদারি। প্রয়োজনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেবে প্রতিবাদ সামিল হওয়াও। গণতন্ত্র কয়েকজন করপোরেট বা মাফিয়া বা নেতাদের বিষয় নয়, অামাদের সবার । এর জন্য সক্রিয় থাকতে হবে অামাদের সকলকেই।