ভোট ম্যানেজমেন্ট বড়ই বিচিত্র বিষয়!

দেশ এখন মোদি ময়। মোদির জয়ের পিছনে কতটা করপোরেটদের অবদান, কতটা মানুষদের সমর্থন অার কতটাই বা সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অবদান তা নিয়ে তর্ক চলতে পারে । তবে এদেশে ভোট যে একটা ম্যানেজমেন্টের বিষয় তা নিয়ে অাজ বিতর্কের বোধ হয় অবকাশ নেই। তা না হলে JDUনেতা তথা প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকসন কী করে বরাত পায় অন্ধ্রের YSRC এর ভোটের কৌশল ঠিক করার ।( ২০১৪ সালে বিজেপির ভোট বৈতরণী পার করার বরাত ছিল এই সংস্থার হাতেই)। ভোট পরিচালনা করার জন্য সব সময় পেশাদার বিদেশ ফেরত প্রশান্ত কিশোরদের প্রয়োজন হবে তারও কোন মানে হয় না। ক্ষেত্র বিশেষে মুকুল রায়রাও সে জায়াগা নিতে পারেন। অনুব্রতরাতো অাছেনই। অাসলে এদেশের সংসদীয় ভোটে মানুষের অংশগ্রহণ কতটা বাধ্যতা কতটা গণতন্ত্রের জন্য তা নিয়ে গবেষণা চলতে পারে। বাড়ি তৈরির টাকা থেকে শুরু করে সাইকেল, নানা ধরনের শ্রী থেকে শুরু করে গ্যাস বা কৃষকদের অনুদান( অাত্মহত্যার মিছিল চলতেই থাক তা কিছু যায় অাসে না ), শহরে অটো থেকে হকার সবাইকে বাধ্য করে যে ভোট হয় তা কতটা গণতান্ত্রিক কতটা অসহায় অাত্মসমর্পণ তা ভেবে দেখার বিষয়।তাই ভোটে জিতে যেই সরকার অাসুক তারা যে মানুষের জন্য কিছু করবেন তা ভাবার কোন মানে হয় না। সংসদীয় বামেরা অাজ ভোটে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক। নকশালপন্থীদের অনেকেই অাবার ফেসবুকেই বিপ্লব অানার পক্ষে। এই ভোটের ফলের পরও তারা নানা তাত্ত্বিক অালোচনায় ব্যস্ত। নাগরিক সমাজ বলে বস্তুটি শুধু বিবৃতিতে নিজের বেঁধে রেখেছে। ফলে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোন গতি নেই। অার তা না হলে সেদিন বোধ হয় বেশি দূরে নয় যখন ফেসবুকেও ক্ষোভ উগড়ে দেওয়ার জন্য দলে দলে লোককে জেলে যেতে হবে।