মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের অালোচনার পর কাটল অচলাবস্থা। অসুখ সারলো কি?

0
9

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধিদের অালোচনার পর অবশেষে জট কাটল । জুনিয়র ডাক্তাররা প্রত্যাহার করে নিলেন কর্মবিরতি। মঙ্গলবার থেকেই সরকারি হাসপাতালে স্বাভাবিক কার্জকর্ম শুরু হবে । এদিন বৈঠকে চিকিত্সকদের নানা প্রস্তাব ও দাবি উঠে অাসে সেগুলি অাধিকারিকদের দেখে নিতে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে হওয়া এই অালোচনাটাই লাইভ সম্প্রচার হয়। অালোচনার শেষে এক জুনিয়র চিকিত্সক বলেন মুখ্যমন্ত্রী অামরা পদবি দেখে চিকিত্সা করি না। বিব্রত মুখ্যমন্ত্রী বলেন এটা হওয়া উচিত নয়। কিন্তু যে প্রশ্নটার উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না তা হল চিকিত্সক নিগ্রহ কি শুধু পুলিস দিয়ে ঠেকানো সম্ভব? সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামোর ঘাটতি ( চিকিত্সক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব, সব জীবনদায়ী ওষুধ না মেলা, বেড না থাকায় রোগী ভর্তির বিষযটি দীর্ঘায়িত হওয়া) না মিটলে কি হাসপাতালে রোগী ও চিকিত্সকের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি সম্ভব? চিকিত্সকদের একটা অংশ অাজ ওষুধ কোম্পানি- প্যাথ ল্যাবে, নার্সিংহোমর দালালে পরিণত হয়েছেন সে বিষয় চিকিত্সক সমাজ সরব না হলে কি চিকিত্সকদের উপর রোগীদের বিশ্বাস বা অাস্থা ফের ফিরে অাসা সম্ভব? অচলাবস্থা কাটা মানে ব্যবস্থাটা সুচারুভাবে চলা নয়। অার তা করতে হলে শুধু চিকিত্সকদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বললেই হবে না স্বাস্থ্য ব্যবস্থার গভীর অসুখ নিয়ে সবাইকে ভাবতে হবে। চিকিত্সকসমাজকেও।