হিংসার উসকানি দেওয়ার জন্য নেতাদের গ্রেফতার করা হবে না কেন?

সন্দেশখালির ন্যাজাটে তৃণমূল -বিজেপির সংঘর্ষে ৩জন( বিজেপির দাবি অনুযায়ী সংখ্যাটা ৪) নিহত হওয়ার ঘটনায় চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন অাচমকাই তৃণমূলের হার্মাদরা তাদের সমর্থকদের উপর হামলা চালায় তাতেই তাদের ৩জন নিহত হন।অার নিজেদের গুলিতেই নিহত হয়েছেন ১ তৃণমূল সমর্থক।অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে বিজেপি নাকি কুপিয়ে খুন করেছে তাদের সমর্থককে। গুলিতে অাহত হয়েছেন বহু। প্রকৃত সত্যটা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু যেটা স্পষ্ট তা হল শহরে এসি ঘরে বসে বা টিলেভিসন চ্যানেলে দেখে নেওয়ার যে হুমকি শাসক ও বিরোধী দলের নেতারা বলছেন তার জেরেই যে রাজ্যে অধিকাংশ জায়গায় রক্ত ঝড়ছে তাতে সন্দেহ নেই। তবে ভাগ বাঁটােয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বেও যে তৃণমূলের লোকজনের মৃত্যু হচ্ছে তাতে সন্দেহ নেই। এই হিংসা তো অার মাওবাদীরা বা কোন জঙ্গিসংগঠনের লোকজন করছে না, তাহলে এই হিংসার উসকানি দেওয়ার জন্য শহরে বসে থাকা এই সব দলের নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? মাঠে ময়দানে যারা মারা যাচ্ছেন তারা উভয় দলের হয় সমর্থক নয়তো নিরীহ মানুষ। নেতাদের গায়ে অাঁচড়ও লাগছে না। পরিকল্পনা করে হিংসা ছড়াচ্ছেন যে সব রাজনৈতিক নেতারা তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা উচিত। তিনি যে দলেরই হোক।