গ্রেফতারের পরও শোনভদ্রের গণহত্যায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করলেন প্রিয়ঙ্কা

উত্তরপ্রদেশে শোনভদ্রে গণহত্যায় নিহত ১০ অাদিবাসীদের পরিবার লোকজনের সঙ্গে দেখা করলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বড়ডা। তবে গ্রামে গিয়ে নয়, যে চুনার ফোর্ট গেস্ট হাউসে তাঁকে গ্রেফতার করে রাখা হয়েছিল সেখানেই অাসেন পীড়িতদের পরিবারের সদস্যরা। এর অাগে পীড়িতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে প্রিযঙ্কাকে গ্রেফতার করে পুলিস । গ্রেফতার হয়ে সারা রাত মির্জাপুরের চুনার ফোর্টে রাত কাটালেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বডরা ও বেশ কিছু কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক। রাতে বিদ্যুতহীন হয় যায়( নাকি করে দেওয়া হয়?) গেস্ট হাউসটি। অন্ধকারের মধ্যেই মাটিতে বসে রাত কাটান প্রিয়ঙ্কা ও তাঁর সাথীরা। পুলিস অাধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এলো ব্যর্থ হয়ে রাত ১ টা নাগাদ ফিরে যান। সেই ভিডিও পোস্টও করেছেন প্রিয়ঙ্কা। প্রিয়ঙ্কা জানিয়েছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা না করে তিনি ফিরবেন না।এদিকে উত্তরপ্রদেশ সরকারের দাবি প্রিয়ঙ্কার জন্যই নাকি অাইন শৃঙ্খলার অবনতি হবে। অনেকটা এরাজ্যে অাসা বিজেপির সংসদীয় দলের ক্ষেত্রে অাগে যেমনটা বলত তৃণমূল সরকার।

গত বুধবার অাদিবাসীদের ৩৬ একর জমি দখল নিতে গিয়ে গ্রামের প্রধান পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ১০ অাদিবাসীকে। ৩৬টি ট্রাকটরে করে ২০০ জন দুষ্কৃৃতী নিয়ে জমি দখল করতে যায় ওই মুখিয়া। এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করে ১০ জনকে। জখম হন বহু। জাতীয় মিডিয়া প্রথমে খবরটার তেমন একটা গুরুত্ব দেয়নি ( সাতদিনডটইন প্রথম দিনই খবরটা গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছিল) পড়ে হইচই শুরু হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে শোনভদ্রের গণহত্যার ঘটনায় প্রিয়ঙ্কার এই পদক্ষেপ অাগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর গুরুত্ব বাড়াবে।

ছবিscroll.in এর সৌজন্যে