কাশ্মীরে নাগরিক অধিকার হরনের অভিযোগ এপিডিআরের

0
5

কাশ্মীরে নাগরিক অধিকারকে হরন করা হয়েছে একতরফাভাবে ৩৬০ ও ৩৫ক ধারা রদ করে,দাবি করেছে মানবাধিকার রক্ষার সংগঠন এপিডিআর।মঙ্গলবার সংগঠনের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে,প্রতিটি নাগরিকের উচিত নিজেদের নাগরিক অধিকার রক্ষার স্বার্থেই কেন্দ্রীয় সরকারের এই আচরণের বিরোধিতা করা।এপিডিআরের বিবৃতি থেকে জানা যাচ্ছে,৩৭০ ও ৩৫ক ধারাকে যেভাবে অস্থায়ী ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করা হচ্ছে তার বিরোধী একটা মতও আছে,দিল্লি হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্ট এই ব্যবস্থাকে ভারতের সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে উল্লেখ করায় এই আইন একতরফা বদল করা য়ায় না।এপিডিআরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে কাশ্মীরের রজ্য থাকার স্বীকৃতি কেড়ে নিয়ে সেখানে গণতন্ত্রের ভিতকে দূর্বল করে দেওয়া হল।কাশ্মীরের মানুষের মতামতকে সম্পুর্ন উপেক্ষা করে যে ভাবে কেন্দ্রীয় শাসন চালু করার সিদ্ধান্ত হল তা কাশ্মীরবাসীর ভাবাবেগে আঘাত করতে বাধ্য।ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট মনে করিয়ে দিয়ে মানবাধির সংগঠন এপিডিআর প্রশ্ন তুলেছে,যেহেতু কাশ্মীরের ভারতে অন্তর্ভুক্তির সঙ্গে ৩৭০ ও ৩৫ক ধারার একটা সংগতি আছে, তাই কোন যুক্তিতে ৩৭০ ও ৩৫ক ধারাকে অস্থায়ী বলে বাতিল করার পরেও কাশ্মীরের ভারতে অন্তর্ভুক্তিটাকে স্থায়ী বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে?একই সঙ্গে এপিডিআর মনে করিয়ে দিয়েছে বিশেষ মর্যাদা শুধু কাশ্মীর নয় এ দেশে আরও ৯ রাজ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য,তাহলে সেখানে এক দেশ এক আইনের যুক্তি মানা হচ্ছে না কেন?গণভোট প্রসঙ্গে এপিডিআর তার বিবৃতিতে মনে করিয়ে দিযেছে গণ মত নেওয়া হয়েছিল জুনাগড়ে ও চন্দননগরেও,তবে কাশ্মীর কেন বাদ থাকল?সরকার কাশ্মীরের মানুষের কাছ থেকে শর্তহীন আনুগত্য আদায় করতে চায়,যা গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে খুব বিপজ্জনক তাই সকলের উচিত এই মানসিকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।নিজের নাগরিক অধিকারের স্বার্থেই কাশ্মীরের মানুষের নাগরিক অধিকারের পক্ষে গলা তোলার আহ্বান করছে মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর।মঙ্গলবার প্রতিবাদ মিছিলের পর বুধবার কলেজস্ট্রিটে প্রতিবাদ সভারও আয়োজন করে এপিডিআর।