জম্মু কাশ্মীরে গণভোটের নেহেরুর প্রতিশ্রুতি এখন ইতিহাস

0
6

সোমবার সংসদে সংবিধানের ৩৭০ ধারা খারিজের বিতর্কে অংশ নিয়ে এর জন্য কার্যত কংগ্রেসের বিশ্বাসঘাতকতাকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন গণভোটের যেকথা তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী জওহারলাল নেহেরু বলেছিলেন সেকথা রাখেনি। ভাইকোর এই বক্তব্য কিসত্যি? একথা সত্যি ভারতের সঙ্গে জম্মু কাশ্মীরের সংযুক্তির সময় ১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাতে গণভোটের কথা লিখিতভাবে উল্লেখ ছিল না। কিন্তু ২ নভেম্বর ১৯৪৭ সালে নেহেরু অল ইন্ডিয়া রেডিওতে তার ভাষণে বলেন জম্মু কাশ্মীরের ভবিষ্যত সেশের মানুষ ঠিক করেবন। সেখানে শান্তি স্থাপিত হলে অান্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে এই বিষয় মানুষের রায় নেওয়া হবে।

এখানেই শেষ নয়, ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পাক হানাদারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জ রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে প্রতিবাদ জানায় ভারত। সেখানেও সরকারের তরফে জানান হয় হানাদারদের জম্মু কাশ্মীর থেকে হঠিয়ে দেওয়ার পর শান্তি প্রতিষ্ঠার পরি রাজ্যের মানুষ নিজেদের ভবিষ্যত নিজেরাই ঠিক করবেন। এর জন্য গণতান্ত্রিক প্রথা মেনে স্বাধীনভাবে মত যাচাই করার জন্য গণভোট নেওয়া হবে। অবাধ ও স্বাধীন গণভোটের জন্য রাষ্ট্রসংঘের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন বলে মনে করে ভারত।

এখানেই শেষ নয়।১৯৪৮ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রসংঘের এই মর্মে পাশ হওয়া এক প্রস্তাবে বলা হয়” ভারত ও পাকিস্তান দুটি দেশই চায় জম্মু -কাশ্মীরকে ভারত বা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি মেনে স্বাধীন ও অবাধ গণভোটের মাধ্যমে স্থির হওয়া উচিত।” তবে এসব এখন ইতিমহাস। সরকার এখন জম্মু কাশ্মীর রাজ্যের নামটাই মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। অন্ততএমনটাই মত কংগ্রেস নেতা গুলাম নবী অাজাদের।

সূত্র BLOOD IN THE VALLY, PAGE 27-29