ছত্রধরের সাজা কমে ১০ বছর, রাজা প্রসূনকে বেকসুর খালাস হাইকোর্টের

0
5

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ছত্রধর মাহাতোর সাজার মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছর করার রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া রাজা সরখেল ও প্রসূন চ্যাটার্জিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে অাদালত।সাগুন মুর্মু, সুখশান্তি বাস্কে শম্ভু সোরেনের সাজার মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছর করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাংবাদিকদের ছদ্মবেশে পুলিস ছত্রধরকে গ্রেফতার করে। পরে অবশ্য তাঁকে জঙ্গল থেকে গ্রেফতার মিথ্যে গল্প তৈরি করে কেস দেয় পুলিস। অন্তত এমনটাই দাবি মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্রের। ২০১৫ সালে নিম্নঅাদালত ছত্রধর সহ অন্যদের সাজা দেয়।

২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয় রাজা সরখেল ও প্রসূন চ্যাটার্জিকে। নিম্ন অাদালত তাদের সাজাও দেয়। অার বুধবার হাইকোর্ট এই ২জনকে বেকসুর খালাস দিল। প্রশ্ন উঠছে এই নির্দোষ দুই যুবকের ১০ বছর কি ফিরিয়ে দিতে পারবে সরকার। রাজা সরখেলের স্ত্রী শুক্লাদেবী জানিয়েছেন বাম জমানায় রাজা ও প্রসূনদের গ্রেফতার করা হয় অার সাজা দেওয়া হয় তৃণমূলের জমানায়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত কারণে এতের সাজা বলে দাবি শুক্লাদেবীর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন শাসকের অাসনে বসেন নি। সেই সময় ছত্রধর মাহাতোর সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছিলেন। সেই ছবি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিতও হয়। অার যখন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তখন ছত্রধরদের যাবজ্জীবন সাজা হয়। তাঁর জামিনের অাবেদন দীর্ঘ ১৭ মাস ধরে শুনানি না হয়ে পড়ে থাকে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির বিষয়টা ঠান্ডা ঘরে চলে যায়। হঠাত্ তাঁর সাজা কমে যায়। এটা কি নিতান্ত ন্যায় বিচারের দীর্ঘসূত্রীতা ? না কি এর পিছনে ও রয়েছে শাসকের অন্য কৌশল। ইতমধ্যে ছত্রধরের স্ত্রী জঙ্গলমহলে তৃণমূলের মিছিলে হেঁটেছেন। অার জঙ্গলমহলে গত লোকসভা ভোটে অত্যন্ত খারাপ ফল করেছে তৃণমূল । তাই একটা জল্পনা রয়েছে। জল্পপনা কতটা সত্যি তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে অারো কিছুদিন।