জেলে বিনা বিচারে অসংখ্য মানুষ পচে মরছেন তবুও চিদম্বরমের গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

0
40

চিদম্বরমের গ্রেফতারির ন্যায্যতা নিয়ে যখন দেশজুড়ে বিতর্ক চলছে ঠিক সেই সময় অসংখ্য মানুষ এদেশে বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেলে পচে মরছেন। সবথেকে মজার কথা চিদম্বরমদের তৈরি ইউএপিএ অাইনে অসংখ্য মানুষকে জঙ্গি তকমা দিয়ে জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে। ৯০ শতাংশ শারীরিকভাবে বিশেষ সক্ষম অধ্যাপক সাইবাবাবাকে দোষী সাব্যস্ত করে জেলে রাখা হয়েছে। মাওবাদী তকম নিয়ে ১০ বছর বন্দি থাকার পর রাজা সরখেল প্রসূণ চট্টোপাধ্যায়ের মত দু একজন ‘ভাগ্যবান’ ছাড়া পাচ্ছেন। তবে তাদের জীবনের মূল্যবান সময়গুলো বিচার ব্যবস্থার ত্রুটিতে নষ্ট হচ্ছে। এর জন্য কেউ কখনও শাস্তি পেয়েছে বলে জানা নেই।

একথা ঠিক বর্তমান কেন্দ্রে শাসন ক্ষমতায় যারা রয়েছেন তারা যেভাবে একটা রাজ্যের মানুষকে জেলে পুড়ে দিয়েছেন তা অাগে কখনও হয়নি। অাগে কখনও দেশের ১ ডজন বিশিষ্ট মানবাধিকার ও অাইনজীবীকে একটি মনগড়া মামলায় জেলে প্রায় ১ বছর ধরে অাটকে রাখা হয়নি। অাগে ব্যক্তিকে জঙ্গি ঘোষণার অাইন হয়নি। এই প্রথম সংসদে দাঁড়িয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন শহুরে নকশালদের তিনি শেষ করবেন।

চিদম্বরমকে যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে তাতে প্রশ্ন উঠবেই। যদি চিদম্বরমকে এইভাবে গ্রেফতার করা হয় তাহলে গরীবমানুষ বা জনসাধারণের নাগরিক অধিকার ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে অাছে তা সহজেই অনুমান করা যায়।চিদম্বরমের গ্রেফতারি রাজৈনিত প্রতিহিংসা কিনা তা সময়ই বলবে তবে বর্তমান সরকার যে নাগরিক অধিকার বা ন্যূনতম গণতান্ত্রিক রীতি পদ্ধতির তোয়াক্কা করে না তা বারবার দেখা যাচ্ছে। সেটা উদ্বেগের।সবার কাছেই।