পার্শ্বশিক্ষকদের উপর পুলিশি নিগ্রহের অভিযোগ

0
1

এসএসসির চাকরি প্রার্থী,প্রাথমিক শিক্ষক,স্বাস্থ্য কর্মীদের পর এবার নিজেদের দাবি নিয়ে পথে নামলেন পার্শ্বশিক্ষকদের সংগঠনও,শুক্রবার বিধাননগরে শিক্ষাভবনের সামনে জড় হয়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন পার্শ্বশিক্ষক যুক্তমঞ্চের কয়েক হাজার পার্শ্বশিক্ষক।অভিযোগ সারাদিন অবস্থান বিক্ষোভ চালাবার পর,সন্ধ্যে নামতেই পুলিশ এসে বেধড়ক লাঠি চালাতে শুরু করে বিক্ষোভকারী শিক্ষকদের উপর।অনেক শিক্ষক এর ফলে আহত হয় বলে পার্শ্বশিক্ষক যুক্তমঞ্চের পক্ষ অভিযোগ করা হয়েছে।পার্শ্বশিক্ষক সংগঠনের দাবি তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই সমকাজে সম বেতন ও সুযোগ সুবিধার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করে আসছিলেন কিন্তু সরকার তাঁদের আবেদনে কোন গুরুত্ব দেয় নি,তাই বাধ্য হয়ে তাঁদের পথে নেমে আন্দোলন করতে হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে বিধাননগরে পার্শ্বশিক্ষকরা জড় হয়ে অবস্থান করতে শুরু করার পর রাতে তাদের পুলিশ দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়,পুলিশ তাদের সঙ্গে নির্মম ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ প্রতিবাদী শিক্ষকদের।মার খেয়ে বিধাননগর থেকে সরতে বাধ্য হলেও প্রতিবাদী পার্শ্বশিক্ষকরা কলকাতা না ছেড়ে জড় হতে থাকেন শিয়ালদা চত্ত্বরে।শনিবারও তাঁরা শিয়ালদা চত্ত্বর থেকেই তাঁদের অবস্থান চালিয়ে যান।পার্শ্বশিক্ষকদের যুক্তমঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয় তারা সরকারের কাছে ন্যূনতম সম্মান দাবি করছেন,দীর্ঘ দিন শিক্ষকতা করেও তারা নামমাত্র মাসোয়ারা পান,তাঁদের মধ্যে যাদের টিচার ট্রেনিং আছে তাঁদের উপযুক্ত ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতিও সরকার মানছেন না দীর্ঘদিন ফলে তাঁরা চান সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমাধানের রাস্তা খুঁজুন।পার্শ্বশিক্ষকদের পক্ষে ভগীরথ ঘোষ জানান তাঁদের পুলিশি নির্যাতন করে আটকানো যাবে না,তারা তাদের দাবি আদায় করতে লাগাতার আন্দোলন চালাবেন।

শনিবার সকাল থেকে শিয়ালদা চত্ত্বরে পার্শ্বশিক্ষকদের অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।পুলিশি নির্য়াতনের বিরুদ্ধেও পার্শ্বশিককরা সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায়ের প্রয়াস শুরু করেছেন।সরকার কেন আলোচনা না করে তাঁদের উপর পুলিশি নির্যাতন নামিয়ে আনলো তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে।দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা লড়াই ছাড়বেন না বলে দাবি করেন সংগঠনের সদস্য ভগীরথ ঘোষ।শিক্ষা দপ্তর এ বিষয়ে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া জানায় নি।যে ভাবে একের পর এক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ শিক্ষা দপ্তরের বিরুদ্ধে হয়ে যাচ্ছে তাতে এই দপ্তরের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী ও আধিকারিকরা যে স্বস্তিতে নেই তা পরিষ্কার।