জম্মু কাশ্মীর ভাগ করার ভোটে ওয়াকঅাউট করে কী বার্তা দিতে চাইল তৃণমূল?

0
7

জম্মু কাশ্মীর ভাগ নিয়ে প্রথমে রাজ্যসভায় সরব হলেও পরে তৃণমূল এই ইস্যুতে সাবধানী অবস্থান নিতে শুরু করেছে। রাজ্যসভায় ওয়াকঅাউটের পর লোকসভাতেও ভোটাভুটিতে অংশ না নিয়ে ওয়াকঅাউটের সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন তারা এই বিলকে সমর্থন করেন না। এই বিলের পক্ষে বা বিপক্ষেভোট দিয়ে এর অংশ হতে পারবে না। রাজ্যসভায় ওয়াকঅাউট করার পর লোকসভাতেও অন্য অবস্থান নেওয়া তৃণমূলের সম্ভবও ছিল না। কিন্তু রাজ্যসভায় বিল পেশের পর ওয়েলে নেমে বিরোধিতা করেন, যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন তৃণমূল নেতা ডেরেক ও ব্রায়ান। তার কয়েক ঘন্টার মধ্যে অবস্থান এত সাবধানী হয়ে উঠল কেন? ভোটের অঙ্ক?

পৃথক রাজ্য হিসাবে জম্মু কাশ্মীরের অস্তিত্ব মিটিয়ে দেওয়ার প্রথম ধাপ সোমবারই পার করে কেন্দ্রের সরকার। রাজ্য সভায় জম্মু কাশ্মীরকে ভেঙে দুটি কেন্দ্র শাসিত প্রদেশ করার বিল রাজ্যসভায় পাশ করায় সরকার। একটি হল বিধানসভা সমেনত কেন্দ্রশাসিত জম্মু কাশ্মীর, অপরটি কেন্দ্রশাসিত লাদাখ লোকসভায় পাশ হওয়ার পর পৃথক জম্মু কাশ্মীর রাজ্যে ইতিহাসের বিষয়। রাজ্যসভায় ১২৫ -৬১ ভোট জম্মু কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল পাশ করাতে সক্ষম হল কেন্দ্র। সরকারের পক্ষে ও বিলকে সমর্থন করে ভোট দেয় BJD, TRS,TDP। সবাইকে চমকে দিয়ে বিলের পক্ষে ভোট দেয় অাম অাদমি পার্টিও। ভোটের সময় তৃণমূলের ১৩জন সাংসদ ওয়াকঅাউট করেন, ভোটে অংশ নেবে না বলে অাগেই জানিয়েছিল জেডিইউ। রাজ্য সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১২১টি ভোটের। এনডিএর সংখ্যা ছিল ১০৭। কার্যত বিরোধীদের একাংশ এদিন ৩৭০ ধারা খারিজের পক্ষেই দাড়াল। কেন বিলের বিরোধিতা করে ভোটে অংশ নি নিল না তৃণমূল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বামেরাও।