১০ ব্যাঙ্ককে মিশিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে কর্মী বিক্ষোভ শুরু

0
10

১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে একীকরণের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা। শুক্রবার  অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের এই ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই দেশের নান প্রান্তে ব্যাঙ্ক কর্মীরা  বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাদরে অভিযোগ এতে কর্মী সংকোচন হবে। বাধ্য করা হবে ভিঅারএস নিতে। যেখানে দেশের নানা প্রান্তে এখনও ব্যাঙ্কের পরিষেবা পৌঁছন যায়নি সেখানে ব্যাঙ্ক মিশিয়ে দেওয়া মানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক গুলিকে ধাপে ধাপে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত।

    PNB  এর সঙ্গে মিশে যাবে  UBI ও ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কর্মাস।  এক সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে দেশের দ্বিতীয় সব থেকে বড়  ব্যাঙ্ক তৈরি করা হবে। কানাড়া ব্যাঙ্কের সঙ্গে মিশে যাবে সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক।ইউনিয়ন ব্যাঙ্কের সঙ্গে মিশবে অন্ধ্র ব্যাঙ্ক ও করপোরেশন ব্যাঙ্ককেও । ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের সঙ্গে মিশে যাবে এলাহবাদ ব্যাঙ্ক। এই ব্যাঙ্ক একীকরণের ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের  সংখ্যা হবে ১২। ২০১৭ সালের পর থেকে এর অাগে দুদফায় ব্যাঙ্ক একীকরণ  করা হয়।  ২০১৭ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা ছিল ২৭।

 এর অাগে রাষ্ট্রায়ত্ত দেনা ব্যাঙ্ক, বরোদা ব্যাঙ্ক ও বিজয়া ব্যাঙ্ককে এক সঙ্গে মিশিয়ে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঙ্ক তৈরি করেছে সরকার ।  ১ এপ্রিল ২০১৯ থেকেই কার্যকর হয়েছে সরকারের এই সিদ্ধান্ত।  রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে NPA বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। বেড়েছে ব্যাঙ্ক প্রতারণার সংখ্যাও।  একসঙ্গে ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত একীকরণ বা বিলয়ের ফলে তাকে সামাল দেওয়া হবে কীভাবে তা স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে এই কৌশলে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে সরকার। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির পরিসর একদিকে ছোট করে( একাধিক ব্যাঙ্কের বিলয় বা শাখা বন্ধ করে দিয়ে) ধাপে ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির বেসরকারি করণ করতে চাইছে সরকার। অন্যদিকে যতদিন না তা সম্পূর্ণ হয় ততদিন  বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিকে অারো জায়াগা করে দিতেই কেন্দ্রের এই কৌশল বলে মনে করছেন।