অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের মন্ত্রী চিন্ময়ানন্দকে ধর্ষণের অভিযোগে অবশেষে জেরা SIT -র

0
33

অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা ৩ বারের প্রাক্তন সাংসদ  চিন্ময়ানন্দকে অবশেষে জেরা করল পুলিস। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বৃহষ্পতিবার সন্ধে সাড়ে ৬ট নাগাদ শুরু হওয়া এই জেরা চলে টানা  ৭ ঘন্টা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে উত্তরপ্রদেশ পুলিস। যদিও এখনও পর্যন্ত চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা তারা শুরু করেনি। গত সোমবার নির্যাতিতা ছাত্রী অভিযোগ করেছিলেন ১ বছর ধরে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করে ধর্ষণ করেছে চিন্ময়ানন্দ। দিল্লি পুলিসের কাছে ও এসঅাইটির কাছে এই অভিযোগও করেন ওই অাইনের ছাত্রী।

     তাঁর স্নানের ছবি ভিডিও করে জোর করে ধর্ষণ করে। অাবার সেই ধর্ষণের ছবিও দেখিয়ে ১ বছর ধরে তাঁকে শারীরিকভাবে শোষণ করছিল বিজেপির এই প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। এমনই অভিযোগ সাহাজানপুরের ২৩ বছরের ওই  ছাত্রীর।  ছাত্রীর দাবি কলেজে পড়ার পাশাপাশি লাইব্রেরিতে ৫০০০ টাকার চাকরি সুযোগ করে দেয় চিন্ময়ানন্দ। এর পর একদিন হোস্টেলে তাঁর স্নানের দৃশ্যের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে চিন্ময়ানন্দ। তার পর এই শারীরিক শোষণ চলতেই থাকে বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর। এই মারাত্মক অভিযোগের পর বিজেপির এই প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রীকে অবশেষে জেরা করল সিট।

 ২৪ অগস্ট ফেসবুকে তাঁর কলেজের ছাত্রীদের যৌন শোষণ করা হচ্ছে বলে ভিডিও প্রকাশ করেন ওই ছাত্রী। নাম না করলেও বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধেই তাঁর অভিযোগ ছিল। এর পর থেকেই ২৩ বছরের ওই তরুণী নিখোঁজ হন। প্রথমে পুলিস অভিযোগ না নিলেও পরে চাপে পরে ২৭ অগস্ট ছাত্রীটির বাবার দায়ের করা fir নেয় পুলিস।

 ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। যেদিন তাকে সুপ্রিম কোর্টে পেশ করার কথা তার ঠিক অাগে, ৬ দিন নিখোঁজ থাকার পর, তাঁর খোঁজ পায় সাহাজানপুর পুলিস। ছাত্রীর  অভিযোগ  তদন্ত করে দেখার জন্য রাজ্যকে sit গঠন করতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। । ওই ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করেছিলেন মেয়ের নিখোঁজের পিছনে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ চিন্ময়ানন্দের হাত রয়েছে।

কলেজের প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অপকর্মের প্রমাণ অাছে বলে ভিডিও ভাইরাল হতেই নিখোঁজ উত্তরপ্রদেশে ২৩ বছরের এক অাইনের ছাত্র। ২৪ অগস্ট থেকে নিখোঁজ হন ওই ছাত্রী। ভিডিওতে কারো নাম উল্লেখ না করা হলেও ছাত্রীর বাবার দাবি অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ স্বামী চিন্ময়ানন্দ। যিনি কলেজ ম্যানেজমেন্টের সভাপতি।  একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অাশ্রম চালান তিনি।   চিন্ময়ানন্দের তরফে ছাত্রীর করা অভিযোগ মিথ্যে ও নাটক  বলা হয়েছে। বিজেপির এই প্রাক্তন সাংসদ, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে অাশ্রমের এক মহিলাকে ধর্ষণেরর অভিযোগে ২০১২ সালে পুলিস চার্জশিট দেয়। তবে ধর্ষণে অভিযুক্ত ৩ বারের এই সাংসদকে পুলিস কখনই গ্রেফতার করেন। বিজেপির সদ্য বহিষ্কৃত কুলদীপ সেনগারের পর উত্তরপ্রদেশের অারেক  নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলেও এখনও পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করেনি পুলিস।