তেলেঙ্গানার এই চিকিত্সককে কুর্নিশ

0
11

চিকিত্সকদের উপর রোগী তার পরিবারের অাস্থা হামেশাই প্রশ্ন চিন্হের মুখে পড়ছে। অবহেলা বা গাফিলতির অভিযোগ চিকিত্সক নিগ্রহ যখন রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই সময় সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি উঠে এলো তেলেঙ্গানার এক গ্রামে। তেলেঙ্গানার ভদ্রাদ্রি কোথাগুদেম জেলার পলওয়াঞ্চা অঞ্চলের। স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার চিকিত্সক এল রামবাবু। ২২ বছরের সুক্কি নামের এক অাদিবাসী মহিলা ও তাঁর সদ্য জন্মানো ২ সন্তানকে তিনি খাটিয়া করে ৫ কিমি বয়ে নিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচালেন। প্রসবের পর অত্যধিক রক্তপাতের জন্য ওই মহিলার জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছিল। বড় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দরকার ছিল। কিন্তু গ্রামের রাস্তা থেকে গাড়ির রাস্তার দূরত্ব ৫ কিমি। এই দীর্ঘপথ পরিবারের লোকের সাহায্যে ও নিজে কাধ করে খাটিয়াকে অস্থায়ী পাল্কি হিসাবে বানিয়ে নিয়ে যান ওই চিকিত্সক। তার পর ভদ্রচালমে সরকারি হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন ওই মহিলা ও তাঁর ২ সন্তানকে।

এই খবর একদিকে যেমন চিকিত্সকের অতিমানবিক দিকটিকে সামনে নিয়ে এসেছে, তেমনই গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার করুনদশাকেও প্রকাশ করে দিয়েছে। শহর বা শহরতলীর গন্ডি পেরলেই সামান্য নাগরিক সুবিধার বিষয়গুলি যে উধাও হয়ে যায় তা নতুন করে বলার নয়। তবুও এসব নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না। তাহলেই হয়তো অাপনার দেশপ্রেমের সার্টিফিকেট নিয়ে টানাটানি পড়ে যাবে।

সাতদিন.in প্রথম প্রকাশিত হয় ১৭ অগস্ট

সূত্র ও ছবি দ্য হিন্দ্যু