নারদা মামলায় সোমবার পর্যন্ত মির্জার সিবিঅাই হেফাজত। প্রথমে IPS মির্জাকে গ্রেফতার করে কি কোন বার্তা দেওয়া হচ্ছে?

0
16

নারদা মামলায় গ্রেফতার হওয়া অাইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিবিঅাই হেফাজতে পাঠাল অাদালত। বৃহষ্পতিবার অাইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে গ্রেফতার করে সিবিঅাই।  যদিও অনেক তৃণমূলের নেতারই কন্ঠস্বরের নমুনা সিবিঅাই সংগ্রহ করেছিল এই গ্রেফতার তো অাগেই হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করন অাইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের দাবি মির্জার কাছ থেকে অনেক তথ্য মিলবে। কংগ্রেস নেতা ঋজু ঘোষালের প্রশ্ন মুকুল রায় বা শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন?

 ২০১৬   সালের  বিধানসভা ভোটে অাগে নারদা স্টিংয়ে ধরা পড়ে ১২জন তৃণমূল নেতাকে টাকা নিতে। সেই সঙ্গেIPS অফিসার মির্জাকেও টাকা নিতে ভিডিওতে দেখা যায়। রাজ্যজুড়ে হইচই এর পর এর  মামলা গড়ায় অাদালতে। অাদালতের নির্দেশ তদন্তভার যায় সিবিঅাই এর হাতে।  তৃণমূলের ১২জন নেতা ও ১ IPS এর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করে CBI। CBI এর তরফে যাদের বিরুদ্ধে FIR করা হয়েছে তারা হলেন মুকুল রায়, দমকল মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়, ফিরাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শুভেন্দু অধিকারি, সাংসদ অপুরূপা পোদ্দার, কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র ইকবাল আহমেদ, সুলতান আহমেদ, সৌগত রায়, প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়,কাকলি ঘোষ দস্তিদার  ও IPS SMH মির্জা।

নারদা স্টিংয়ে টাকা নিতে যে সব নেতাকেই দেখা গেছে তাদের বাধ দিয়ে কেন শুধু মির্জাকে গ্রেফতার করা হল ?  বিজেপির সদর দফতর থেকে স্টিংয়ের সিডি প্রকাশ করা হয়েছিল কী করে তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন? মির্জাকে গ্রেফতার করে কি তৃণমূলের উপর চাপ বাড়াতে চাইছে বিজেপি। এবার নারদায় অভিযুক্ত  বাকি নেতাদেরও কি গ্রেফতার করবে সিবিঅাই? গ্ নাকি এর মাধ্যমে চাপ বাড়িয়ে বেশ কিছু নেতাকে দলভাঙাতে চাইছে বিজেপি? কারণ নারদায় অভিযুক্ত মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, শঙ্কুদেব পন্ডা সহ একাধিক তৃণমূল নেতাই এখন বিজেপিতে। অারো কি অাসবে?