ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে সারদা থেকে নেওয়া প্রায় ৩১ লক্ষ টাকা ইডিকে ফেরত শতাব্দী রায়ের

0
39

সারদার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে প্রায় ৩০.৬৪ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।  সেই টাকা সোমবার ব্যাঙ্ক ড্রাফট মাররফত ইডিকে ফেরত দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সারদার সঙ্গে ৪৯ লক্ষ টাকার চুক্তি হয় শতাব্দী রায়ের। সারদাকান্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তৃণমূলের সাংসদ ও অভিনেতা শতাব্দী রায়কে জেরা করতে চেয়ে নোটিশ পাঠায়।  তার পরই শতা্ব্দী  এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট বা ইডিকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন সারদার যাবতীয় বিতর্ক থেকে অব্যাহতি পেতে তিনি সারদা থেকে প্রাপ্ত যাবতীয় অর্থ ফেরত দিয়ে দিতে চান। শতাব্দী তাঁর চিঠিতে বলেছেন যে তিনি সারদার ব্রান্ড আ্যম্বাসাডার হিসেবে যা অর্থ পেয়েছিলেন টিডিএস বাদ দিয়ে তার পুরোটাই তিনি ফিরিয়ে দিতে চান।শতাব্দীর হিসেব অনুযায়ী প্রায় ৩১ লক্ষ টাকা তিনি নিয়েছিলেন সেটা তিনি ফিরিয়ে দিতে রাজি।সূত্রের খবর শতাব্দী রায় তাঁর চিঠিতে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর নাম উল্লেখ করে বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তী যেভাবে টাকা ফেরত দিয়ে সারদা বিতর্ক খেকে সরে গেছেন তিনিও তাই চান।

প্রশ্ন উঠছে টাকা ফেরত দিলেই কি  অ বৈধ চিটফান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সব দায় মুক্ত হওয়া যায় কি?মিঠুন চক্রবর্তী,শতাব্দী রায়দের মত পরিচিত ও প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগসাজসের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করার যে চেষ্টা চিটিংবাজ অর্থকরী সংস্থাগুলো করেছিল তার দায় থেকে এঁরা মুক্তি পাবেন কোন যুক্তিতে?গ্রামবাংলার হাজার হাজার গরিব মানুষ,যারা পরিচিত সেলিব্রিটিদের উপস্থিতি দেখে প্রভাবিত হয়ে চিটফান্ড সংস্থায় টাকা রেখে সর্বসান্ত হয়েছেন,কয়েকশো মানুষ আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন,শুধু টাকা ফেরত দিয়ে এর দায় থেকে মুক্ত হওয়া যায় বুঝি?দ্বিতীয়ত,শতাব্দীরা বলছেন সারদার টাকা ফেরত দিতে চান,এখানেই বলার টাকাটা সারদার নয়,টাকা সাধারণ মানুষের।মানুষের টাকা ঠকিয়ে নিয়ে নিয়েছিল চিটিংবাজ অর্থলগ্নি সংস্থাগুলো।সেই টাকা সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দায় কেন নেবেন না শতাব্দী রায়ের মত জনপ্রতিনিধীরা?