রাজ্য সরকারের তদন্ত রিপোর্টে ক্লিনচিট কাফিল খানকে । বিনা অপরাধে ৮ মাস জেল খাটলেন গোরক্ষপুরের এই চিকিত্সক

0
31

 ২০১৭ সালে গোরক্ষপুরের সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ৪৮ ঘন্টা ৬৩ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শিরোনামে অাসা কাফিল খানকে ২ বছর পর  ক্লিনচিট সরকারি তদন্ত কমিটির। ২০১৭ সালের ১০ ও১১ অগস্ট গোরক্ষপুরের বিঅারডি সরকারি হাসপাতালে এনসেফেলাইটিসে অাক্রান্ত ৬৩টি শিশুর অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়। অক্সিজেনের ঘাটতি হওয়ার জন্য দায়ী করা হয় কাফিল খানকে। এই অজুহাতে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। FIR দাখিল করা হয় তার বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তাঁকে জেলে পাঠান হয়। প্রায় ৮ মাস পর ২০১৮ সালের  এপ্রিল মাসে জামিন পান কাফিল খান গোরক্ষপুরে জেল বন্দি চিকিত্সক কাফিল খান। এলাহবাদ হাইকোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। কাফিল খান জানিয়েছেন গত এপ্রিল মাসে সরকারের কাছে জমা পড়া তদন্ত রিপোর্ট এতদিন পর গত বৃহষ্পতিবার তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে বলির পাঁঠা করা হয়েছে। এখন মূল বিষয় গাফিলতি খুঁজে না পেয়ে তাঁর প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে সরকার কাফিল খানের কাছে জবাবদিহি চেয়েছে।

ঘটনার দিন  কাফিল উদ্যোগ নেওয়ায় বেঁচে যায় বহু শিশুর প্রাণ। কাফিল খান নিজের চেষ্টায় , পকেটের পয়সা দিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে এসে বহু শিশুর প্রাণ বাঁচিয়ে ছিলেন সেদিন। মিডিয়ায় জানাজানি হতেই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন কাফিল। আর শিশু মৃত্যুর অস্বস্তি এড়াতে ও ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্য সরকার তড়িঘড়ি কয়েকজনের বিরুদ্ধে fir দায়ের করে উত্তর প্রদেশ সরকার। যার মধ্যে ছিলেন কাফিল খানও। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ধারনা হয়েছিল কাফিলই বিষয়টি মিডিয়াকে জানান। আর এতেই চটে যান যোগী। কাফিলের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ ইতিমধ্যেই প্রত্যাহার করে নিলেও  ষড়যন্ত্রের অভিযোগে  চার্জশিট দিয়েছে পুলিস। সরকারি তদন্ত রিপোর্টে তাঁর কোন গাফিলতি পাওয়া যায়নি। বিনা অপরাধে একজন চিকিত্সক ৮মাস জেল খাটলেন তার দায় সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে যোগী অাদিত্যনাথকেই।