৭ থেকে বেড়ে ১৭হাজার, মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি অাসলে ভাঁওতা- অভিযোগ বিরোধী কর্মচারী সংগঠনগুলির

0
7933

শুক্রবার তৃণমূলের রাজ্য সরকারি কর্মীদের এক সভায়  ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকরার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে কার্যকর হবে এই নতুন বেতন কাঠামো। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এখন মূল বেতন ৭০০০ টাকা হলে নতুন বেতন কাঠামোয়  ন্যূনতম  বেসিক পে  হবে ১৭৯৯০ টাকা। এই নিয়ে জনমানসে প্রচার শুরু হয়ে গেছে সরকারি কর্মীদের একাধাক্কায় প্রায় অাড়াইগুন বেতন বৃদ্ধি হওয়ার বিষয়টি। কিন্তু অাদতে কি তাই ? সরকারি কর্মীরা জানচ্ছেন তাদের ১ নম্বর স্কেলটি হল ৬৬০০ টাকা( পে ব্যান্ড + গ্রেড পে=  মোট মূল বেতন) এর সঙ্গে ১২৫ শতাংশ ডিএ,  ৮২৫০টাকা, যোগ করলে সরকারি কর্মীদের বর্তমান ন্যূনতম বেতন দাঁড়ায় ১৪৮৫০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন মোট মূল বেতনকে ২.৫৭ দিয়ে গুন করে নিয়ে নতুন বেতন ধার্য করা হয়েছে। তাই যদি হয় তাহলে ডিএ মিশে যাওয়ার পর নতুন বেতন হবে ৬৬০০x২.৫৭=১৬৯৯২ টাকা।( পে কমিশন চালুর পর সেই মুহূর্তে অার কোন ডিএ বেতনের সঙ্গে যুক্ত হয়না) সরকারি কর্মীদের দাবি বেতন বাড়ছে মাত্র ১৪.২২ শতাংশ।

 ৭০০০ থেকে বেড়ে বেসিক ১৭ হাজার টাকার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে ভাঁওতা বলে মনে করে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সংগঠন কোঅর্ডিনেশন কমিটি। অন্তত সেরকমটাই জানিয়েছেন কোঅর্ডিনেশনের সাধারণ সম্পাদক বিজয় সিংহ। অন্যদিকে কনফেডারেশনের নেতা মলয় মুখোপাধ্যায় বলেছেন সরকারি কর্মীদের বর্তমান ন্যূনতম পে স্কেল( পে ব্যান্ড ও গ্রেড পে মিলিয়ে ৬৬০০ টাকা) একে ২.৫৭ দিয়ে গুন করলেও ১৮ হাজার টাকার ন্যূনতম বেতনও হচ্ছে না। তাঁর মতে পুরোটাই সরকারি কর্মীদের সঙ্গে প্রবঞ্চনা। অাড়াইগুন বেতন বৃদ্ধির যে কথা রাজ্য সরকারের তরফে জনমানসে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে তা অাসলে ভাঁওতা। যদিও তৃণমূল প্রভাবিত কর্মচারী সংগঠনের নেতা সৌম্য বিশ্বাস অবশ্য জানিয়েছেন তারা খুশি। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে তারা ধন্যবাদ দিচ্ছেন।