অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে রাহুল সিনহার কুকথাতে বিস্ময়ের কিছু নেই!

0
23

অভিজিত্ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নোবলে প্রাপ্তি নিয়ে রাজ্য বিজেপি নেতা রাহুল সেনার  কুকথা ‘দ্বিতীয় স্ত্রী বিদেশি হলে নোবেল পাওয়া যায়’ এই নিয়ে শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকেই ছিঃ ছিঃ করছেন। রাহুল সিনহাকে কি অালটপকা মন্তব্য করেছেন? নাকি এটা বিজেপির রাজনাতীর সঙ্গে অত্যন্ত মানান সই একটা ভেবেচেেন্তে করা মন্তব্য। দ্বিতীয়টা অামার মনে হয় ঠিক। অাসলে বিজেপি জাতীয়তাবাদ বলতে যা বোঝায় তার সঙ্গে এই ধরনের মন্তব্য বেশ যায়। তাছাড়া বিজেপির বড় নেতারা অভিজিত্ বন্দ্যেপাধ্যায়কে বামপন্থী হিসাবে ঘোষণা করার পর অভিজিত্ বন্দ্যেপাধ্যায়ের বিরোধিতা না করলে রাজ্য বিজেপির ছোট নেতাদের চলবে কী করে!

রাহুল সিনহা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই অভিজিত্ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের  কাজ নিয়ে চিন্তিত নন, অাগ্রহীও নন। তাদের মূল লক্ষ নিজেদের ভোট ব্যাঙ্কের দিকে তাঁকে এই ইস্যুতে কীভাবে রিঅ্যাক্ট করলে ভাল হবে সেই কথা ভাবা। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিজিতবাবুর মায়ের সঙ্গে বাড়িতে গিয়ে চা খান। রাহুল সিনহা তার সমর্থকদের খুশি করতে অভিজিত্ বাবুর ব্যক্তিগত বিষয় কুকথা বলেন। অাসলে শিষ্টাচার শোভনতা রাজনীতি থেকে অনেক অাগেই পালিয়েছে। অথচ এই সব নেতা নেত্রীদের নিজেদের মান সম্মাণ নিয়ে এত বেশি চিন্তিত তার জেরে ক্ষণে ক্ষণে তা হানির অজুহাতে লোকজনকে জেলে পোরা হচ্ছে।একপক্ষ এনঅারসির নামে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট কুক্ষিগত করতে চাইছে অারেকপক্ষ সেই জুজু দেখিয়ে ভোট পেতে চাইছে। অাসলে এই সব দলগুলি বা তাদের নেতাদের কাছে মানুষ শুধু ভোটার। সেই ভোটটি যেন তেন প্রকারেন হাসিল করাই এদের মূল লক্ষ। তাই এদেন কাছ থেকে সুভাষণ অাশা করা যায় কি?