জিয়াগঞ্জে মর্মান্তিক খুন নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন সোমেন মিত্র

0
42

রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার যে কতটা অবনতি হয়েছে তা মর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে এক পরিবারের তিনজনের একসঙ্গে খুন হয়ে যাওয়ার ঘটনা থেকেই পরিষ্কার বোঝা যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত এই ঘটনার দায় স্বীকার করে অবিলম্বে পুলিশমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাওয়া।কোন সভ্য আইনি শাসন চলা রাজ্যে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে না।’ জিয়াগঞ্জে এক প্রাখমিক স্কুল শিক্ষককে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান সহ যেভাবে খুন করা হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে এই ভাষাতেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কঠোর সমালোচনা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র।সোমেনবাবু এদিন সাতদিনডটইনকে এই মর্মান্তিক খুন সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানান,কোন কারণে বা কেন খুন করা হল তা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকতে পারে কিন্তু প্রশ্ন হল কীভাবে একটা বাড়ির ভেতর ঢুকে একজন আততায়ী তিনতিনজনকে খুন করার সাহস করতে পারে,তার মানে তো এটাই প্রমাণ হয় এ রাজ্যে সাধারণ মানুষের কোন নিরাপত্তাই নেই। যে কোন দিন যে কেউ,যে কোনজনকে হিংসা বা শত্রুতার জন্য খুন করে চলে যেতে পারে।সোমেন মিত্রের মতে রাজ্যে পুলিশি কার্যকারিতা একেবারে শূণ্য হয়ে গেছে বলেই এরকম ঘটনা ঘটতে পারছে।পুলিশ শাসক দলের নেতা নেত্রী ছাড়া আর কারোর নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নয়।তাই অবাধে এই সব ভয়াবহ ঘটনাগুলো ঘটে যেতে পারছে।

কেন ঘটনা ঘটে যাওয়ার ২৪ ঘন্টা পরেও এই ঘটনার জন্য দায়ী কাউকে গ্রেপ্তার করা গেল না সে প্রশ্নও তোলেন সোমেনবাবু।এ রাজ্য সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা যে কতটা অনিশ্চিত সেটা এই ঘটনাতে প্রমাণ হয় বলে সোমেন মিত্রের দাবি।সোমেন মিত্র বলেন রাজ্যের পুলিশ এখন দলীয় আনুগত্য দিয়েই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে চায়,কারণ শাসক দল সেই শিক্ষাই তাঁদের দিয়েছে তারই ফল হল সাধারণ মানুষের এরকম নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে বাঁচা।অবিলম্বে এই ঘটনার দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের শাস্তির দাবি তোলার পাশাপাশি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এই ঘটনার দায় নিয়ে পুলিশমত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।