তেলেঙ্গানায় সরকারি বাস কর্মীদের ১৫দিনের ধর্মঘটের মাথায় রাজ্যব্যাপী বনধের পরও হেলদোল নেই সরকারের

0
6

তেলেঙ্গানায় রাষ্ট্রায়ত্ত পরবিহণ সংস্থার কর্মীদের ধর্মঘটের ১৫দিনের মাথায় রাজ্যজুড়ে বনধ পালিত হল। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ধর্মঘটীদের অাহ্বানে সাড়া দেয় বেসরকারি বাস সংস্থার কর্মীরাও। সেই সঙ্গে রাজ্যে ৫০ হাজার বেসরকারি ক্যাবও ধর্মঘটে সামিল হয়েছিল। রাজ্যব্যাপী এদিনের ধর্মঘটে বামপন্থী দলগুলি ছাড়াও  টিডিপ সহ বহু দল ও ইউনিয়ন বাস কর্মীদের এই ধর্মঘটকে সমর্থন করেছিল।  গত ৫ অক্টোবর থেকে পুরোপুরি সরকারি সংস্থায় পরিণত করা সহ একাধিক দাবি নিয়ে ধর্মঘট করছেন অারটিসির কর্মীরা। তাদের   সঙ্গে অালোচনা তো দূরের কথা তাদের কার্যত ছাঁটাই করার কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেসিঅার।    অস্থায়ী কর্মীদের দিয়ে বাস চালানোর পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার।  অন্যদিকে ইতিমধ্যেই ২জন কর্মী অাত্মহত্যা করেছেন বলে মিডিয়া রিপোর্ট। কেসিঅারের এই অনমনীয় অাচরণের সমালোচনা করেছেন সব বিরোধী দলই।

অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন কর্মীদের আন্দোলন ও কর্মবিরতি গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরই অঙ্গ, সেখানে কোন সরকার এভাবে কোন আলোচনা না করে এককথায় এতদিনের কর্মীদের বসিয়ে দিতে পারেন কি ভাবে?গোটা দেশজুড়েই তেলেঙ্গানা সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে।সরকারের এই স্বৈরাচারি সিদ্ধান্ত এখনই প্রতিরোধ করতে না পরলে এই প্রয়াস আসলে যে কোন প্রতিবাদ ও প্রতিরোধকে ধ্বংস করে দেবে বলে বলে করছেন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও।তেলেঙ্গানার আগে একবার কর্মীদের ছাঁটাইয়ের কথা ঘোষণা করেছিলেন তামিল নাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতাও,এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাও জুনিয়র জাক্তারদের কর্মবিরতি তুলে নিতে প্রথমদিকে হুমকি দিয়ে সময় বেঁধে দিয়ে বলেছিলেন কাজে যোগ না দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অনেকেই তাই বলতে শুরু করেছেন এ দেশে ভোটে নির্বাচিত সরকারগুলির মধ্যে স্বৈরাচারের লক্ষণটা সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।