পিএমসি ব্যাঙ্কের প্রতারণার অঙ্ক ৪৩০০ কোটি টাকা, প্রশ্ন উঠছে সমবায় ব্যাঙ্কগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও

0
16

পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র সমবায়   ব্যাঙ্কে( pmc) ঋণ দেওয়ার অনিয়ম সামনে অাসার পর থেকেই সমবায় ব্যাঙ্কগুলির কাজকর্ম ফের প্রশ্নের মুখে। পিএমসি ব্যাঙ্কের গ্রাহকেরা কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। নাহলে তাদের বিষ খাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না বলে জানিয়েছেন পিএমসি ব্যাঙ্কের এক গ্রাহক। এর উত্তরে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন বিষয়টি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অাওতাভুক্ত তারা দেখছে। এদিকে যে প্রমোটার সংস্থাকে ঋণ দেওয়া নিয়ে এই কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে সেই এইচডিএল এ ব্যাঙ্ক কর্তাদের বিরুদ্ধে ৪৩০০ কোটি টাকার প্রতারণার মামলা রুজু করেছে পুলিস।

পিএমসি ব্যাঙ্কের অনিয়ম সামনে অাসতেই  গ্রাহকদের টাকা তোলার  ঊর্ধ্বসীমা ১০০০০ টাকা বেঁধে দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।   অাগামী ৬ মাসের জন্য মাত্র ১০ হাজার টাকা তুলতে পারবেন প্রতিটি গ্রাহক। ব্যাঙ্কের কর্তা ও প্রতারক প্রমোটার গোষ্ঠীর জন্য কেন খেসারত দেবেন তারা এই প্রশ্ন তুলছেন গ্রাহকেরা। এতদিন রিজার্ভ ব্যাঙ্কই বা কী করছিল সেই প্রশ্নও উঠছে।

সামনেই মহারাষ্ট্রে ভোট। সামনে এসেছে পিএমসি ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি।  ব্যাঙ্কের অন্যতম ডিরেক্টর রাজনীত সিং হলেন বিজেপির ৪ বারের বিধায়ক তারা সিং এর ছেলে। রাজনীত নিজেও বিজেপির সদস্য। অাসন্ন বিধানসভা ভোটে বিজেপি টিকিটের প্রত্যাশী।

  দেশের ৭টি রাজ্যে প্রায় ৯ লক্ষ গ্রাহক অাছে পিএমসি ব্যাঙ্কের। এমনকি দিল্লিতেও শাখা রয়েছে এই ব্যাঙ্কের। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশের কথা জানাজানি হতেই গ্রাহকদের ভিড় লক্ষ করা যায় ব্যাঙ্কের বিভিন্ন শাখার সামনে। অসহায় অবস্থায় অার্তনাদ করতে শোনা যায় বহু গ্রাহককেই। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে সমবায় ব্যাঙ্কগুলি নামেই সমবায় ব্যাঙ্ক অাসলে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে  রাজনৈতিক নেতারা। পিএমসি ব্যাঙ্কও এর ব্যতিক্রম নয়। পশ্চিমবঙ্গেও একাধিক সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতির জেরে বন্ধ হয়ে গেছে। প্রশ্ন উঠছে কেন সমবায় গোষ্ঠীর নামের সঙ্গে ব্যাঙ্কের নাম যুক্ত করতে দেওয়া হয় তা নিয়েও।