অাহা:রে বাংলা অনাহারে শিক্ষক,অনশনের ৫দিনে অসুস্থ ৮শিক্ষক ভর্তি হাসপাতালে

0
81
অনুপম কাঞ্জিলালঃ  পার্শ্ব শিক্ষকদের অনশন ৫দিনে পড়ল মঙ্গলবার। ইতিমধ্যেই ৮জন অনশনকরারী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অান্দোলনকারীরা। তবে সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত তাদের সঙ্গে কেউ কথা বলেননি। বলার প্রয়োজন মনে করেন নি। তবে যেটা প্রয়োজন মনে করেছেন তাহল কিছু হুকুম জারি করা। মঞ্চের পাশে সেন্ট্রাল পার্কে চলা অাহারে বাংলার খাদ্য মেলার  সীমানার ধারে কাছে যাত অান্দোলনকারীদের না দেখা যায় সেই নির্দেশ জারি করেছে পুলিস। অান্দেলনকারীদের তরফে কটাক্ষ করে বলা হয়েছে অাহা!রে বাংলা অনাহারে শিক্ষক।
রাজ্যের পার্শ্বশিক্ষকদের অভিযোগ এ রাজ্যে তারা কেন্দ্রীয় সরকারি রীতি অনুযায়ী বেতন পান না।পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন এ রাজ্যে অন্যান্য রাজ্য থেকে অনেকটাই কম বলে দাবি রাজ্যের পার্শ্বশিক্ষকদের।অন্য রাজ্যে যেখানে সহায়ক শিক্ষকরা প্রথমিক স্তরে ২৫ হাজার ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ৩০ হাজার টাকা বেতন পান এ রাজ্যে সেখানে পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন প্রথমিক স্তরে ১০ হাজার ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ১৩ হাজার টাকা মাত্র।অথচ পার্শ্বশিক্ষকদের বেতনের বড় অংশই বরাদ্দ হয় কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে।কেন্দ্রীয় সরকার পার্শ্বশিক্ষকদের বেতনের ৬০ শতাংশ বহন করে আর রাজ্য সরকার বহন করে ৪০ শতাংশ।তবুও এ রাজ্যে কেন পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন এত কম তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব এ রাজ্যের পার্শ্বশিক্ষকরা।এর আগে বার বার তাদের পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করা হলেও সোমবার থেকে পার্শ্বশিক্ষকদের ঐক্যমঞ্চ হাইকোর্টের নির্দেশেই বিকাশভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছে।
এর আগে বিকাশভবনের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের তাড়া খেয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন এ রাজ্যের পার্শ্ব শিক্ষকদের সংগঠন পার্শ্বশিক্ষক ঐক্যমঞ্চের শিক্ষকরা।তারপর নৈহাটিতে সভা করতে গিয়েও রাতের অন্ধকারে আক্রান্ত হয়েছিলেন এঁরা।অভিযোগ উঠেছিল সভামঞ্চের লাইট নিভিয়ে দিয়ে পুলিশ নির্বিচারে মহিলা শিক্ষকদের শ্লীলতাহানি করতেও দ্বিধা করে নি।
এদিনও গিয়ে দেখা গেল অনশন অবস্থানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পার্শ্বশিক্ষকরা উপস্থিত হন।।তারা চাইছেন সরকার তাদের সঙ্গে অালোচনায় বসুক। সরকার সেই পথে না হেঁটে অনশন মঞ্চের পাশে যেভাবে খাদ্য মেলার অায়োজন করেছে তা শুধু দৃষ্টিকটু  নয়, সরকারের সংবেদনহীনতারও পরিচয় বলে মনে করছেন অনেকেই।