ডেঙ্গিতে ফের মৃত্যু , কবে সমস্যাকে ধামাচাপা দেওয়া বন্ধ করে সমাধানে জোর দেবে রাজ্য সরকার?

0
9
সাতদিন ডেস্কঃ   ডেঙ্গিতে ফের মৃত্যু। পানিহাটির  এক ব্যক্তির শুক্রবার মৃত্যু হল কলকাতার এক হাসপাতালে।  লেকটাউনের ৩  বছরের অহর্ষি ধরে অাবারও  শ্রীরামপুরের ৫ বছরের শিশু সুনিধি শর্মার ডেঙ্গিতে মৃত্যুর পর  বুধবার  মৃত্যু হয়   ভদ্রেশ্বরের সোনু শর্মা ও  দেগঙ্গার ফারুক মন্ডল। এই নিয়ে রাজ্যে এ পর্যন্ত ৪৮জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মিডিয়া রিপোর্ট। তবে সরকারি হিসাবে রাজ্যের মৃত্যুর সংখ্যা ২৭।
কলকাতা, বিধাননগর ,হাওড়ার বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে দক্ষিণ দমদমের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ডেঙ্গিতে এখনও পর্যন্ত ৫জনের মৃত্যু ৪০০জন অাক্রান্ত হলেও তা মারাত্মক নয় বলে মনে করেন পুরসভার চেয়ারম্যান পাঁচু রায়।  ডেঙ্গি প্রবলভাবে ছড়ালেও মানতে নারাজ প্রশাসন। ডেঙ্গি মোকাবিলায়  এখনও  ধুয়ো ছড়িয়ে চলেছে বিভিন্ন পুরসভা।যদিও ইতিমধ্যেই কলকাতার ডেপুটি মেয়র জানিয়েছেন ডেঙ্গি ঠেকানোর এটা বাতিল প্রক্রিয়া।
বছরের পর বছর ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দিলেও  রাজ্য জ্য সরকারের তরফে ডেঙ্গি মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট কোন নীতি বা পরিকল্পনা অাছে বলে লক্ষ করা যাচ্ছে না। যদি থাকতো তাহলে মশা তাড়াতে বিভিন্ন পুরসভায় ধোঁয়া দেওয়ার ব্যবস্থা এখনও থাকতো না। কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকায় বলা রয়েছে যে ধোঁয়া দিয়ে মশা মারা যায় না। বরং তারা অন্য এলাকায় চলে যায়। শুধু ধোঁয়া নয় ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোতে কোন কাজ হয় না বলে পতঙ্গবিদেরা জানালেও ডেঙ্গি রোধে দেদার ব্লিচিং ছড়াচ্ছে পুর কর্মীরা। অাসলে  ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা অাছে বলে মনে করছেন না অনেকেই। যদি থাকতো তাহলে প্রতিবছর ডেঙ্গির বাড়বাড়ি হওয়ার পর নানা পদক্ষেপের কথা ভাবতো না রাজ্য সরকার। ধোঁয়ার বিষয়টা অাগে থেকেই সব পুরসভাকে জানিয়ে দিত তারা। তা না করে ডেঙ্গিতে মৃত্যুকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ ডেঙ্গিতে মারা গেলেও চিকিত্সকদের মৃত্যুর কারণ অজানা জ্বর বলে উল্লেখ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
অাসলে ডেঙ্গির মত মারাত্মক বিষয়টিকে ঠিক কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে তা হয় জানে না নয়তো মাথা ব্যথা নেই রাজ্য সরকার। কোন সুনির্দিষ্ট নীতির অভাব স্পষ্ট। সমস্যা অাড়াল করলেই সমস্যা চাপা থাকে না। বরং বাড়ে।  কত অহর্ষিরা চলে গেলে সেটা  বুঝবে রাজ্য সরকার?