পেঁয়াজের দাম বাড়লে ওদের কী!

0
43

সাতদিন ডেস্কঃ  আামাদের দেশের নেতা মন্ত্রীরা থলি হাতে বাজারে য়ান না। তাই  প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম যে ১২-১৫০ টাকা হয়েছে বা ১০০ গ্রাম পোস্ত কিনতে ১৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে খবর তারা জানেন না, রাখেনও না।  পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম কয়েক মাস চলার পর বুধবার তা কেজি প্রতি দেড়শো টাকাতে উঠেছে।  পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দামে যখন নাজেহাল দেশবাসী সেই সময় সংসদে মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন তিনি এমন পরিবার থেকে এসেছেন যেখানে পেঁয়াজ রুসুন বেশি খাওয়ার অভ্যাস নেই। তাই কি তার পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে কিছু এসে যায় না!  তবে তার মন্ত্রকের তরফে জানান হয়েছে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ অামদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু কেন পেঁয়াজটুকু সঠিক দামে নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দিতে ব্যর্থ সে প্রশ্নের উত্তর মিলছে না এখনও।   সূত্রের খবর গত বছরের  পেঁয়াজ যে পরিমাণে মজুত রয়েছে তাতে এই সময় ঘাটতি হওয়ার কথা ছিল না। তবে অত্যাধিক বৃষ্টির জন্য পরিবহণে বেশ কিছু পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তাই বলে এতটা দাম বৃদ্ধি!  এদিকে চিন ও তুর্কি থেকে পোস্ত অামদানি বন্ধ হওয়ায়ও পোস্তর দাম নাকি অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। পোস্ততেও চিনের দখল!

 মুখ্যমন্ত্রী প্রায় সব বিষয় দ্রুত তার মতামতা সবাইকে জানিয়ে দেন। অথচ তিনি বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি এখনও। প্রায় মাস খানেক ধরে অন্যান্য পণ্যের তুলনায় এই দুটি জিনিসের দাম অস্বাভাবিক বাড়লেও না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী না বিরোধী দলের তরফে কোন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে । যে বামপন্থীরা অতীতে খাদ্য অান্দোলনে সামিল হয়েছিলেন তাদেরকেও এই বিষয় পথে নামতে দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যের বামফ্রন্টের এক প্রাক্তনমন্ত্রীকে ৩হাজার টাকা দরে ইলিশ কিনতে দেখার পর সেই অাশাও বড় কম। এক সময় এই পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য কেন্দ্র সরকারকে কাঁদতে হয়েছিল। এখন অবশ্য তার অবকাশ কম। কারণ ৩৭০ ধারা বাতিল, পাকিস্তান , গরু নানা ইস্যুতে ভালই ভোট অাসছে।অন্যদিকে ব্যাকফুটে থাকা বিরোধীদলগুলিওও বুঝে উঠতে পারছে না কোন ইস্যুতে কাকে টার্গেট করবে। কারণ এখন নাকি সব ম্যানেজ খেলা চলছে। শুধু দামটা যদি একটু ম্যানেজ করা যেতে তাহলে বোধ হয় সাধারণ ক্রেতার একটু লাভ হত।