এটিএম প্রতারণার ক্ষেত্রে অাউটসোর্সিং কতটা দায়ী?

0
33

সাতদিন ডেস্কঃ  শহর জুড়ে ফের এটিএম প্রতারণা। প্রতারণার কৗেশল একই ।  এটিএমে স্কিমার বা নকল করা যন্ত্র বসিয়ে এটিএম কার্ডের তথ্য ও পিন নম্বর হাতিয়ে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা লোপাট করা হচ্ছে। অাগে রোমানিয়ার একটি গ্যাং এই কাজ করার পর ব্যাঙ্কের হেলদোল নেই। রক্ষী বিহীন এটিএমগুলোতে রক্ষী নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করেনি তারা। যে সব এটিএমে এই জালিয়াত চক্র স্কিমার বসিয়েছিল তার মধ্যে একটিতে নাকি ৮ মাস অাগে স্কিমার বসান হয়। অথচ টের পেল না ব্যাঙ্ক বা এটিএমে টাকা ভরার দায়িত্বে থাকা থার্ড পার্টি এজেন্সি।

 প্রথমে গ্রাহককে এটিএম মুখী করে তোলা। সার্ভিসের জন্য চার্জ বসানো। অার তার পর এটিএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহককে অাতঙ্কের মধ্যে ফেলা। প্রতারণা হলে এই করুন সেই  করুন উপদেশ দেওয়া। কিন্তু ব্যাঙ্ক নিজে এটিএম প্রতারণা অাটকানোর জন্য অাদৌ কোন ব্যবস্থা নিল কিনা তা কেউ জানতে পারে না। এবার একসঙ্গে একাধিক প্রতারণার ঘটনা সামনে অাসায় গ্রাহকদের টাকা ফেরত সহজ হবে। কিন্তু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হলে গ্রাহকের অবস্থা কী হত তা সহজেই অনুমেয়।

অাসলে ব্যাঙ্ক ক্রমশ থার্ড পার্টি বা অাউটসোর্সিং এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ফলে সব সময় চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স থাকছে না। এটিএমে জাল নোট বা ছেড়া ফাটা নোট পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। এটিএম গুলোর রক্ষণাবেক্ষণে ব্যাঙ্কের ভূমিকা থাকছে না বলেই এই সব প্রতারণা বা বেনিয়মের ঘটনা বাড়ছে। তার উপর অনেক  এটিএমগুলোতে  রক্ষী রাখছে না ব্যাঙ্ক। যে সকল এটিএমে রক্ষীরা থাকছেন তার ব্যাঙ্কেরও কর্মী নন। সেই অাবার থার্ড পার্টির গল্প। অাসলে এটিএম প্রতারণার জন্য শুধু কোন গ্যাং দায়ী নয়, এটিএম পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের সামগ্রিক ব্যবস্থাতেই ত্রুটি অাছে। সেটা যতদিন না দূর হবে ততদিন বারে বারে ফিরে অাসবে এটিএম প্রতারণা। নতুন ঢঙে, নতুন মাত্রায়।