নাগরিকত্ব সংশোধন এখন অাইন। রাষ্ট্রপতি কি সরকারের রাবার স্ট্যাম্প?

0
36

সাতদিন ডেস্কঃ  বর্তমানে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য বিজেপি সরকার যাই পাঠাক তাতে তত্ক্ষণাত  স্বাক্ষর করে দেন রামনাথ কোবিন্দ।  নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের ক্ষেত্রেও এর অন্যথা হল না।অার এর পরই বৃহষ্পতিবার সরকারি গেজেট তা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই অাইনে পরিণত হল। বুধবার রাতে রাজ্যসভায় যে বিল পাশ করা হয়। এর  অাগে সোমবার ওই বিল পাশ করা হয় লোকসভায়। নতুন অাইনের ফলে বাংলাদেশ , পাকিস্তান ও অাফগানিস্তান থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সাল পর্যন্ত অমুসলীম যে সব মানুষ ভারতে এসেছেন তাদের ভারত শরণার্থী হিসাবে গণ্য করা হবে। ৫ বছর পর্যন্ত এদেশে বসবাস করলে মিলবে নাগরিকত্ব।

ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তে কট্টর হিন্দুরা খুশি হলেও একে সংবিধান ও ধর্মনিরপেক্ষকতা বিরোধী হিসেবে দেখছেন অনেকেই।অসমে এনঅারসিতে ১৯ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যায়। যার মধ্যে কয়েক লক্ষ হিন্দু। এর পরও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল অানার কথা বলতে শুরু করে বিজেপি। কংগ্রেসের তরফে কপিল সিব্বল জানিয়েছেন যারা   অসম এনঅারসি তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন তারা সকলেই দাবি করেছেন তারা ভারতীয়। এখন কী করে তারা প্রমাণ করবেন তারা ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে ভারতে এসেছেন। তাছাড়া ভারতে নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী  ধর্ম কোন মাপকাঠি নয়।

গোরক্ষার নামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের গণপিটুনি, ৩৭০ ধারা বাতিল, তালাক নিষেধ( অথচ শবরীমালা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরোধিতা) এ সবই সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষ বাড়ানোর বিজেপির কৌশল বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের।এর মাধ্যমে একদিকে অারএসএস এর হিন্দু রাষ্ট্রের এজেন্ডাকে ধাপে ধাপে রূপ  দেওয়ার পাশাপাশি দেশের বেহলা অার্থিক অবস্থাকে অাড়াল করতে চাইছে সরকার।

এনঅারসি বিরোধিতা করবে সরকার, ফের স্পষ্ট করলেন মমতা, ধাপ্পা বলছেন মানবাধিকার কর্মীরা