নির্ভয়া গণধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির অাদেশ পুনর্বিবেচনার অার্জি খারিজে এত উল্লাস কেন?

0
23

২০১২ সালে দিল্লিতে নির্ভয়া গণধর্ষণের ঘটনায় অন্যতম  দোষী অক্ষয় সিং এর   ফাঁসির অাদেশের পুনর্বিবেচনার অাবেদন খারিজ করে ফাঁসির অাদেশ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।   এর অাগে ‍এই মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের দেওয়া রায়কেই  ২০১৭ সালের ৫ মে সুপ্রিম কোর্ট বহাল রেখেছিল। যেখানে দোষী ৪জনের( মুকেশ,  পাওয়ান ও বিনয় ও অক্ষয়) ফাঁসির অাদেশ বহাল রেখেছিল। এই সিদ্ধান্তের  বিরুদ্ধে এর অাগে   সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচানার অার্জি জানিয়েছিল অক্ষয় ছাড়া বাকি ৩ জন। সেবারও রায় বদল করেনি দেশের সর্বোচ্চ অাদালত।

কিন্তু প্রশ্ন ধর্ষকদের ফাঁসি দিলেই কি ধর্ষণ বা যৌন অত্যাচার কমবে?  নাকি দোষীরা যদি গরীব হয় তাহলে তাদের চট করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়ে মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র তার দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে?  কয়েক দিন অাগে হায়দরাবাদে এক চিকিত্সক তরুণীকে গণধর্ষণে অভিযুক্ত ৪জনকে সংঘর্ষে হত্যা করে পুলিস। এইভাবে বিচারের অাগে অভিযুক্তদের হত্যা হলেও সমাজের একটা বড় অংশই  তাকে সমর্থন করে। অথচ বিজেপি নেতা কুলদীপ  সেনগার বা চিন্ময়ানন্দেরা ধর্ষণ করেও বছরে পর বছর জেলের বাইরে দিব্যি ঘুরে বেড়ায়। চাপ বাড়লে গ্রেফতার করা হলেও  নির্য়াতিতার হেনস্তা বাড়ে বই কমে না।

ধর্ষণ মুক্ত সমাজ তৈরি করা হয়তো অনেক দূরের স্বপ্ন। ন্যয় বিচারের মাধ্যমে  ধর্ষকদের শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি সমাজে মহিলাদের ভোগের বস্তু হিসাবে দেখার পুরুষদের মানসিকতা বদলানোটা অবিলম্বে শুরু করা জরুরি। তা নাহলে দরিদ্র পরিবারের  দোষীদের ফাঁসি দিয়ে রাষ্ট্র অার যাই করুক ধর্ষণ ঠেকাতে যে চাইছে না তা । ভুলে গেলে চলবে না এমজে অাকবরের মত কামুক ব্যক্তি অাজও এদেশের সাংসদ। তাও অাবার বিজেপির। তবে অাগে কংগ্রেসের ঘর অালো করে ছিলেন এই  বিকৃত মনস্ক মানুষটি।