দ্বিতীয় পুরুষ ছবি সাইকো থ্রিলার না দশর্কদের সাইকোলজিক্যাল টর্চার?

0
41

সাতদিন ডেস্কঃ মধ্যবিত্ত দর্শকদের মধ্যে সৃজিত মুখ্যোপাধ্যায় একটা জায়াগা করে নেওয়ার সুবাদেই  দ্বিতীয়পুরুষ ছবি রিলিজ হওয়ার অাগে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল অনেকের মনে। তার উপর বলা হচ্ছিল ছবিটি ২২শে শ্রাবণ এর সিক্যুয়াল। কিন্তু দ্বিতীয়পুরুষ ছবি ঠিক কী বলতে চাইল তা বোঝা গেল না। কলকাতার গ্যাংওয়ারের অাবহে তৈরি এই ছবিকে কি সাইকোথ্রিলার বলা চলে?  সৃজিত নিজেই সিরিয়ালকিলিং নিয়ে ছবিতে নানা জ্ঞানের কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু ছবির মূল বিষয় বস্তু অত্যন্ত অাজগুবি। ছবিতে টুইস্ট অানতে গিয়ে যে গল্প সৃজিত সাজিয়ে শুনিয়েছেন তাতে নানা ফাঁক ফোকর রয়েছে বললে কম বলা হয়, পুরো ছবিটাই ফাঁকা বললে বোধ হয় ভূল হবে না।

 থার্ড ডিগ্রি টর্চারের মাধ্যমে পুলিস অাসামীদের থেকে যা চায় তাই বলিয়ে নেয়। সৃজিতের ছবির নায়কও এর বিপরীত নয়। এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং এর বিপক্ষে বলতে গিয়ে সৃজিত অাসলে ভুয়ো সংঘর্ষকেই বাহবা দিয়েছেন ছবি জুড়ে। ভাল পুলিস অফিসার কি করে একজন ক্রিমিনালকে মানুষ করতে গিয়ে একজনকে কেসহীন সাধারণ অপরাধীকে দাগী অাসামী বানাতে পারেন তার উত্তর সৃজিতই ভাল দিতে পারবেন।

ইদানিং শিক্ষিত  ভদ্রলোক সমাজে গালাগানি দেওয়াটা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। অধিকাংশরাই না জেন দেন যে এতে সব সময় মহিলাদেরই অসম্মান করা হয়ে থাকে। সৃজিতও সেটাকেই লালন পালন করেছেন। সমকামি প্রেমের বিষয়টি ছবিতে যে ভাবে পরিচালক তুলে ধরেছেন তাতে প্রান্তিক এই মানুষগুলির যৌনতার অধিকারের লড়াই সমাজের চোখে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ার থেকে  অাঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে, সৃজিত সেকথা ভেবে দেখেছেন কি?স্মার্ট মেকিং এর জন্য প্রশংসা পেয়ে থাকেন সৃজিত। এছবিতে সেটারও অভাব। অযথা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করা বঙ্গসন্তানদের গালাগালি দিয়ে বাংলা ভাষার কতটা উপকার তিনি করছেন তা তিনিই বলতে পারবেন তবে যিনি ভাল করে বাংলার প্রবাদ জানে না সেই চরিত্র  ছবিতে সংলাপ অাওড়ান ‘মাটির সোঁদা গন্ধ’।