বিহারে থেকে শার্জিল ইমামকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিস, শার্জিলের সমর্থনে ১৪৮জন IITর পড়ুয়া ও প্রাক্তনী

0
233

সাতদিন ডেস্কঃ JNU এর রিসার্চ স্কলার শার্জিল ইমামকে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিস। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বিহারের জাহানবাদ গিয়ে সেখান থেকে দিল্লী পুলিসের টিম শার্জিলকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার। শাহিনবাগ অান্দোলনের অন্যতম সংগঠক শার্জিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি  সিএএ বিরোধী অান্দেলনে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও অালিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দেওয়ার সময় বিচ্ছিন্নতাবাদের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। এর পর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক রাজ্যে এফঅাইঅার দায়ের হয়। শুরু হয় তাঁর খোঁজ।

সার্জিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ বানানো বলে মনে করেছেন  অাইঅাইটির প্রাক্তনী ও ছাত্রদের একাংশ। জানাচ্ছে দ্য প্রিন্ট। তাঁদের অভিযোগ সার্জিলের বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপিত করা হচ্ছে। সার্জিল একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি তিনি কখনও হিংসা উসকানো বক্তব্য রাখতে পারেন না।সিএএ বিরোধি অান্দোলনে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে শার্জিল ভাষণ দেওয়ার জন্যই তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে বলে মনে করেন তারা। এই মর্মে এক বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ১৪৮জন অাইঅাইটির বর্তমান ও প্রাক্তনী ।  শার্জিল নিজে আইআইটির  প্রাক্তন ছাত্র।  শার্জিলের উপর থেকে অবিলম্বে দেশদ্রোহীতার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়ে তাঁর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরাও।

 মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী আইআইটি থেকে স্নাতক হয়ে কয়েক বছর সফ্টওয়ার সংস্থায় চাকরি করার পর জেএনইউতে যোগ দেন সার্জিল। যোগ দেন  cpiml  লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন aisaতেও। কিন্তু বামপন্থীদের মধ্যেও ইসলাম অাতঙ্ক তাঁকে হতাশ করে। ২০১৬ সালে অক্টোবরে ক্যাম্পাসে এবিভিপি সমর্থকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর   জেএনইউ ছাত্র নজীব অাহমেদ নিখোঁজ হয়ে যান। সেই ঘটনায় sfi aisa সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির ভূমিকা( উদ্যোগ না নেওয়া)  তিনি মেনে নিতে পারেননি।  তিনি সংগঠন ছেড়ে দেন।  এর পর থেকে সংগঠন ছাড়াই আরো বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠেন শার্জিল। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন শাহিনবাগে।

ছবি স্ক্রলের সৌজন্যে। সূত্র দ্য প্রিন্ট