অাইনের ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ৩ বারের বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ চিন্ময়ানন্দের জামিন

0
57

সাতদিন ডেস্কঃ অাইনের ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত( যদিও পুলিস চিন্ময়ানন্দকে লঘু ধারায় অভিযুক্ত করেছে। তার বিরুদ্ধে পুলিসের অভিযোগ পদের অপব্যবহার করে যৌনসঙ্গম) প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ চিন্ময়ানন্দের জামিন সোমবার মঞ্জুর করল এলাহবাদ হাইকোর্ট। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে তাকে গ্রেফতার করে পুলিস। এর অাগে গত ডিসেম্বর মাসে  ভিযোগকারিণীর জামিন হয়। চিন্ময়ানন্দের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল অভিযোগকারিণীকেও। অভিযোগ চিন্ময়নন্দের কাছে ৫ কোটি  টাকা তোলা চেয়েছিল ওই ছাত্রী ও তার সঙ্গীরা।

 ৩ বারের বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ চিন্ময়ানন্দ তাঁর স্নানের ছবি ভিডিও করে জোর করে ধর্ষণ করে। অাবার সেই ধর্ষণের ছবিও দেখিয়ে ১ বছর ধরে তাঁকে শারীরিকভাবে শোষণ করছিল বিজেপির এই প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী।   দিল্লি পুলিস ও সুপ্রিম কোর্ট গঠিত সিটের কাছে নির্যাতিতা এই অভিযোগ করার পর গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়ানন্দকে।  ছাত্রীর অভিযোগ কলেজে পড়ার পাশাপাশি লাইব্রেরিতে ৫০০০ টাকার চাকরি সুযোগ করে দেয় চিন্ময়ানন্দ। এর পর একদিন হোস্টেলে তাঁর স্নানের দৃশ্যের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে চিন্ময়ানন্দ। তার পর এই শারীরিক শোষণ চলতেই থাকে বলে অভিযোগ করেছিলেন ওই ছাত্রী।

২০১৮ সালের ২৪ অগস্ট ফেসবুকে তাঁর কলেজের ছাত্রীদের যৌন শোষণ করা হচ্ছে বলে ভিডিও প্রকাশ করেন ওই ছাত্রী। নাম না করলেও বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধেই তাঁর অভিযোগ ছিল। এর পর থেকেই ২৩ বছরের ওই তরুণী নিখোঁজ হন। প্রথমে পুলিস অভিযোগ না নিলেও পরে চাপে পরে ২৭ অগস্ট ছাত্রীটির বাবার দায়ের করা fir নেয় পুলিস।  ছাত্রীটির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। যেদিন তাকে সুপ্রিম কোর্টে পেশ করার কথা তার ঠিক অাগে, ৬ দিন নিখোঁজ থাকার পর, তাঁর খোঁজ পায় সাহাজানপুর পুলিস। ছাত্রীর  অভিযোগ  তদন্ত করে দেখার জন্য রাজ্যকে sit গঠন করতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। । ওই ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করেছিলেন মেয়ের নিখোঁজের পিছনে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ চিন্ময়ানন্দের হাত রয়েছে।

বিজেপির এই প্রাক্তন সাংসদ, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে অাশ্রমের এক মহিলাকে ধর্ষণেরর অভিযোগে ২০১২ সালে পুলিস চার্জশিট দেয়। তবে ধর্ষণে অভিযুক্ত ৩ বারের এই সাংসদকে পুলিস সেই সময় গ্রেফতার করেনি। বিজেপির অারেকি প্রাক্তন নেতা সদ্য বহিষ্কৃত কুলদীপ সেনগার ধর্ষণে অভিযুক্ত। অার চিন্ময়ানন্দকে তো পুলিস ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত না করে লঘু ধারায় অভিযোগ করেছে। নির্ভয়া ধর্ষণে দোষীদের ফাঁসির দাবিতে তোলপাড় মিডিয়া। কুলদীপ সেনগার বা চিন্ময়ানন্দের শাস্তির দাবিতে সেরকম সরব নয় তারা।  নাগরিক সমাজও অনেকটাই উদাসীন।