বইমেলায় CAA NPR এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের পুলিসের মারধর ও গ্রেফতার

0
611

সাতদিন ডেস্কঃ বইমলোয় সিএএ এনঅারসি এনপিঅারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদরত পড়ুয়াদেরকে মারধর করার অভিযোগ উঠল পুলিসের বিরুদ্ধে।  মেলায় সিএএ এর বিরুদ্ধে প্রচার করছিল পড়ুয়ারা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্টলের  সামনে  পড়ুয়াদের প্রচার অাসতেই তাদের উপর চড়াও হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদের কর্মীরা। অভিযোগ এর পর হিন্দুত্ববাদীদের সঙ্গে সিএএ বিরোধীদের ধস্তাধ্বস্তি বেধে যায়।  পুলিস এসে  গণ্ডগোল মেটানোর পরিবর্তে  পড়ুয়াদের বেধড়ক পেটাতে থাকে। পুলিস পড়ুয়াদের মারধর করছে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছও মেলায় থাকা বহু মানবাধিকার কর্মী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনেক কর্মী। এদের মধ্যে নাট্যকর্মী রাজা বিশ্বাসকে বেধড়ক মারধর করে পুলিস। হৃদযন্ত্রের সমস্যার কারণে কয়েক বছর অাগে বাইপাস সার্জারি হওয়া রাজা বিশ্বাসের বুকে ঘুঁসি মারে পুলিস। অন্তত এমনটাই অভিযোগ করেছেন তাঁর বন্ধুরা। গ্রেফতার করা হয় সরকারি কর্মী ইউনিয়ন নব পর্যায়ের নেতা জয়গোপাল চট্টোপাধ্যায় সহ  বেশ কয়েকজন পড়ুযা ও মেলায় অাসা বইপ্রেমীদের। মোট ১৪জনকে মেলা প্রাঙ্গনে অাটকে রেখে পরে ছেড়ে দেয় পুলিস। কিন্তু বেশ কয়েকজনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিস। সেখানেও তাদের পুলিস মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে এদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

বিধাননগর উত্তর থানায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে গেলে তা নিতে অস্বীকার করে পুলিস। অভিযোগ  জোর করে মহিলাদের থানা থেকে বের করে দেয় পুলিস। থানা থেকে বের করে দেওয়ার সময় ছবিতে দেখা যায় এক মহিলা কনস্টেবল এক মহিলাকে মারতে মারতে থানার বাইরে বের করে দিচ্ছেন।  এর পর মিডিয়া দেখাতে থাকে ওই মহিলা পুলিসের সঙ্গে কয়েকজন মহিলার ধ্বস্তাধ্বস্তির ছবি। ওই মহিলা কনস্টেবলের চুলির মুঠি ধরে মারধরের ছবিও মিডিয়ায় প্রচার হতে থাকে। এর পরই পুলিসের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় যারা মহিলা কনস্টেবলকে হেনস্তা করেছে তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে তাদের বিরুদ্ধে অাইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপিডিঅার নেতা রঞ্জিত শূর মিডিয়ার কাছে অভিযোগ করেছেন বই মেলার ইতিহাসে  এরকম ঘটনা অাগে ঘটেনি। ক্যামেরার সামনেই পুলিসকে পড়ুয়াদের মারধর করতে দেখা যায়। অভিযোগ এক পড়ুয়ার বুকেও নাকি পা তুলে দেয় এক পুলিস। অতীতেও বইমেলায় নানা ইস্যুতে বিক্ষোভ শ্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে তবে পুলিস মেলা প্রাঙ্গন থেকে এর জন্য গ্রেফতার করেছে বলে কেউ মনে করতে পারছে না। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন  এরাজ্যের পুলিস  কাদের সাহায্য করতে চাইছে তা স্পষ্ট।