রাহুলের ডান্ডা মন্তব্যকে ঢাল করে বাজেট অধিবেশন অাড়াল করল বিজেপি

0
14

সাতদিন ডেস্কঃ রাহুল গান্ধীর ডান্ডা উক্তিকেই ঢাল করে জ্বলন্ত সমস্যাগুলিকে অাড়ালের পথ বৃহষ্পতিবারই দেখিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহষ্পতিবার  সংসদে এই নিয়ে সরব হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শুক্রবারও অসমের জনসভায় ডান্ডা ইস্যুতে হাতিয়ার করে যখন তিনি ভাষণ দিচ্ছিলেন সেই সময় লোকসভায় রাহুলগান্ধীর একটি প্রশ্নের উত্তরে ফের  রাহুল গান্ধীর ডান্ডা মন্তব্যের সমালোচনা করে বিবৃতি পাঠ করতে শুরু করেন বিজেপি নেতা তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। এর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মন্ত্রীর দিকে তেড়ে যান কংগ্রেসের কয়েকজন সাংসদ। এর পর একে অপরের ওপর হামলার অভিযোগ ও সভা ভন্ডুল।

বেহাল কর্মসংস্থান,  অাগুন বাজার, দেশব্যাপী সিএএ ও এনঅারসি বিরোধীতা এসব কিছুই এবারের বাজেট অধিবেশনকে নাড়া দিতে পারল না। যা নাড়িয়ে দিল তা হল সংসদের বাইরে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর করা একটি উক্তি। স্থান কাল পাত্রকে বাদ দিয়ে কংগ্রেস নেতার ডান্ডা কটাক্ষকে ঢাল করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি তথা বিজেপি। পর পর দুদিন এই ইস্যুকে যখন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী প্রচারে হাতিয়ার করলেন তখন অারো কিছুদিন এটাকে কাজে লাগাতে চাইবে বিজেপি বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। ফলে চাপা পড়ে থাকবে এলঅাইসি বিক্রি থেকে শুরু করে বেহাল অার্থিক অবস্থার বিষয়গুলি। রাহুল গান্ধীর দাবি তাদের কন্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতেই বিজেপির তরফে পরিকল্পিতভাবে এদিন গণ্ডগোল তৈরি করা হয়েছে।

কয়েকদিন অাগে দিল্লি বিধানসভার ভোটের প্রচারে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন দেশের যুবকেরা অাগামী ৬ মাসের মধ্যে ডান্ডা মেরে মোদিকে তাড়াবে। কংগ্রেসের দাবি একটা প্রচলিত শব্দবন্দকে অাক্ষরিক অর্থে ধরে নিয়ে অপপ্রচার করতে চাইছে বিজেপি। যদি তাইও হয় তাহলেও  প্রশ্ন থেকেই যায় বিজেপি বা মোদিকে লুস বল দেওয়ার দায় কি কংগ্রেস নেতা এড়াতে পারেন?