ইয়েস ব্যাঙ্কের ৩৪ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকা কুঋণের অাশঙ্কা, কেন গ্রেফতার হচ্ছে না অাম্বানিদের মত শিল্পপতিরা?

0
269

সাতদিন ডেস্কঃ ইয়েস ব্যাঙ্কের সঙ্কটের জেরে ফের এদেশের করপোরটদের ব্যাঙ্ক লুটের বিষয়টি সামনে এসেছে। ইয়েস ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা রাণা কাপুর  শুধু যে নিজের পকেট ভরেছেন তাই নয় দেউলিয়াগ্রস্ত অনিল অাম্বানির ৯টি কোম্পানিকে ১২৮০০ কোটি টাকা যে ঋণ দিয়েছিলেন তা অার উদ্ধার করা হয়তো যাবে না। একই অবস্থা জি এর মালিক এসেল গোষ্ঠীর সুভাষচন্দ্রার ক্ষেত্রেও।  এসেল গ্রুপের ১৬টি কোম্পানিকে দেওয়া ৮৪০০ কোটি টাকাও জলে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী বড় ১০ করপোরেট সংস্থার ৪৪টি কোম্পানিকে দেওয়া ৩৪ হাজার কোটি টাকা এখন জলে। বন্ধ হয়ে যাওয়া জেটকে দেওয়া ঋণের অঙ্ক ১১০০ কোটি টাকা।DHFL একে দেওয়া ঋণের অঙ্ক ৪৭৩৫ কোটি টাকা।

গত কয়েক বছরে যে বিপুল অঙ্কের ঋণ ইয়েস ব্যাঙ্ক বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়েছে তাতে অাশঙ্কা এই ক্ষতির অঙ্কটা অারো বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান রজনীশ কুমার এক টেলিভিশন সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন সব থেকে বেশি যে অঙ্কের এনপিএ ইয়েস ব্যাঙ্কের হতে পারে তা হল ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের এনপিএ এর জন্য যদি ৩৪ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে যায় তার জন্য দায়ী কে?শুধু রাণা কাপুর কেন অনিল অাম্বানিদের মত শিল্পপতি যারা ঋণ নিয়ে শোধ করেন না তাদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠান হচ্ছে না কেন?একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত যদি গৃহঋণের একটি কিস্তি ফেল করে তাহলে তাঁর বাড়িতে ব্যাঙ্কের চিঠি চলে অাসে, তাঁর ক্রেডিট রেটিং কমিয়ে দেওয়া হয় প্রয়োজনে বাড়িটাও বাজেয়াপ্তা করে ব্যাঙ্ক। তাহলে বছরের পরবছর ধরে এই তথাকথিত শিল্পপতিরা সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্ক লুট করলেও তাদের সাজা হচ্ছে না  কারণ তাদের মাথায় রয়েছে সরকারের হাত। ইয়েস ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রেও এর অন্যথা হবে না।