রাজ্যে বিনামূল্যে চালগমের ঘোষণা, করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে অমিল সরকারি পদক্ষেপ ?

0
88

সাতদিন ডেস্কঃ করনো এদেশে ইতিমধ্যেই অাতঙ্ক তৈরি করলেও সচেতনতা তৈরি হয়নি।তাই অাইসোলেশন থাকতে বলার পরও বিদেশ থেকে অাসা ধনী পরিবারের লোকজন ঘুরে বেরাচ্ছেন যত্রতত্র।কেজি দরে ছড়াচ্ছেন সংক্রমণ। রাষ্ট্রের যত জোরজবরদস্তি শুধুমাত্র গরীব মানুষদের ওপর। ধনীদের জন্য শুধুই অনুরোধ। প্রধানমন্ত্রী কার্ফুর কথা বলেই দায় সেরেছেন। কেন এদেশে এখনও অল্প কিছু সেন্টারে মাত্র  করনোর টেস্ট করা হচ্ছে তার উত্তর নেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে। মারাত্মক ভাইরাসের হানা দেশে যখন তখন হতে পারে। তাই যদি হয় তাহলে কেন মাত্র ৫১-৭০টি মাত্র সেন্টার যেখানে এর পরীক্ষার পরিকাঠামো থাকবে ? কেন যেখানে দেশে ৭০০ কাছাকাছি জেলা রয়েছে সেখানে অন্তত প্রতি জেলায় একটি করে এরকম বড় ল্যাব সরকার তৈরি করবে না যেখানে  করোনার মত মারাত্মক ভাইরাসের রোগ নির্ণয় সম্ভব  ? অাসলে গণস্বাস্থ্যে সরকারি অবহেলা ও খরচ না বৃদ্ধি করার জন্য প্রায় ভেঙে পড়েছে সরকারি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। তাই মহামারি মোকাবিলা করার জন্য অাদৌ তা কতটা তৈরি তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী রেশনে চাল গম বিনামূল্যে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। অত্যন্ত ভাল উদ্যোগ।কিন্তু শুধু চাল গম নয় জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনও অারো কযেকটি অত্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ( সাবান সহ) বিনামূল্যে রেশন দোকান থেকে দেওয়া উচিত নয়?  এততো অাধার কার্ড করানো হল । বলা হল সরাসরি ট্রান্সফারের কথা । এই মহামারির সময় গরীব পরিবারগুলির ব্যাঙ্ক খাতায় সরাসরি কিছু টাকা কি সরকারের পাঠান উচিত নয়। এক্ষেত্রে কেন্দ্রের দায় প্রধানমন্ত্রী এড়াতে পারেন না। ইতালি বা ফ্রান্সের অনুকরণ করে থালা বাজানোর যখন কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী তখন কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পথ অনুসরণ করছেন না কেন তিনি।

শুক্রবার একটি টেলিভিশন সাক্ষা্ত্কারে এইমসের ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন অাগামী দিনে দেশে লকডাউন  প্রয়োজনে করা হতে পারে। তাই যদি হয় তাহলে গরীব মানুষদের জন্য সরকার কি ভেবেছে তার কোন দিশা প্রধানমন্ত্রী এদিন দিতে পারেনি। সচেতনার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ চালু রেখে। এক সাংসদ করোনা অাক্রান্ত। এদেশের সংসদে সদ্যরা বসেন প্রায় গা ঘেঁষাঘেষি করে। অথচ সংসদ চালু রেখেছেন  প্রধানমন্ত্রী। কেন এখন বিদেশ থেকে বিমান এদেশে অাসার অনুমতি দিচ্ছে সরকার প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন জানুয়ারি মাসে করোনার বিষয় টা সামনে অাসার পর এতদিন কী করছিল সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর এই কথা দুটো সরকারেরই ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয় কি?