দিল্লি দাঙ্গার লজ্জা থেকে মুখ লুকোতেই কি হোলির অনুষ্ঠানে না যাওয়ার ‘করোনা বাহানা’ প্রধানমন্ত্রীর?

0
15

সাতদিন ডেস্কঃ  বুধবার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন করনো ভাইরাসে দুনিয়াজুড়ে সংক্রমণের জেরে এবার তিনি হলির অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না। এর পর একের পর এক বিজেপি নেতা মন্ত্রীরাও সেই পথে টুইট করতে শুরু করেন। বুধবারই হঠাত্ করোনা নিয়ে একটু বেশি সক্রিয়তা দেখাতে শুরু করে কেন্দ্র সরকার। ২ মাসের বেশি সময় ধরে যে অাতঙ্ক দুনিয়াকে গ্রেসা করেছে তা নিয়ে হঠাত্ কেন্দ্রের এরকম তত্পরতা? প্রশ্নের উত্তর একরকম হাজির করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে অত্যাধিক প্রচার অাসলে দিল্লি গণহত্যা থেকে নজর ঘোরানোর কৌশল বলে মন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে বিষয়টা অনেকের কাছেই হাস্যকর মনে হয়েছিল। কিন্তু ক্রমশ বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়ার নয় বলে মনে করছেন অনেকে।

 মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী কোনবারই হোলির অনুষ্ঠানে যোগ দেন না নরেন্দ্র মোদি। তাই এবার করোনার জন্য যোগ দিচ্ছেন না বলার মানে কী? ২ মাস ধরে করোনা সংক্রমণ দুনিয়াকে অাতঙ্কিত করার পরও মাত্র কয়েক দিন অাগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী করোনা সারাতে যোগের নিদান দিয়েছিলেন। বা অসমের বিজেপি বিধায়ক করোনা সারাতে গোমূত্রের কথা বলার পরও কেন্দ্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে থেকে কোন বার্তা শোনা যায়নি।

দিল্লি দাঙ্গার পর দেশ বিদেশে সরকার তথা মোদির ইমেজে ধাক্কা লেগেছে যথেষ্ট। দিল্লিতে থাকা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত দাঙ্গা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যাননি প্রধানমন্ত্রী নকেন্দ্র মোদি বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই সময় হোলির অনুষ্ঠান করলে তা নিয়ে সমালোচনা হতে পারে। তাই কি অস্বস্তি এড়াতে এবার করোনার অাশ্রয় নিলেন প্রধানমন্ত্রী ‍ ও তাঁর দল? তাই মমতার বক্তব্যে প্রথমে অনেকের হাসির উদ্রেক হলেও এখন অার তা হচ্ছে কি?