সাসপেন্স শেষ, কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতেতে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য

0
52

সাতদিন ডেস্কঃ সাসপেন্স শেষ। বুধবার দিল্লির সদর দফতরে গিয়ে  বিজেপিতে যোগ দিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।বিজেপিতে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা মঙ্গলবারই জানা গিয়েছিল। বাকি ছিল তবে অানুষ্ঠানিকভাবে যোগদান।  সেটা সম্পূর্ণ হল এদিন। সত্যের পথ ধরে দেশ সেবার জন্য বিজেপিতে যোগ দিলেন বলে এদিন দাবি করেছেন জ্যোতিরাদিত্য। প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

মঙ্গলবার  অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাত্কারের পর দলনেত্রী সনিয়া গান্ধীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন জ্যোতিরাদিত্য।তবে দলবিরোধী কাজের জন্য জ্যোতিরাদিত্যকে বহিষ্কার করে কংগ্রেস। এর অাগে ১৭জন জ্যোতিরাদিত্যের অনুগামী বিধায়ককে চার্টার্ড  বিমানে  কর্ণাটকে পাঠানোর পর থেকে কমলনাথ সরকারের সঙ্কট শুরু হয়। তবে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গে ঠিক কতজন বিধায়ক অাছেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

 ২০১৮ সালের মধ্যপ্রদেশ   বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস জেতার পর  তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী না করায় অসন্তুষ্ট ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। এর পর ৩৭০ ধারা বাতিলের সময় দলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে সরকারকে সরাসরি সমর্থন করে সেদিনই বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। তার পর গত কয়েক মাস মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনি। তবুও কংগ্রেস হাইকমান্ড তেমন একটা গুরুত্ব দেয়নি।

ক্ষমতা অারো ক্ষমতা, অারো অারো ক্ষমতা  ভোগ করাটাই বোধহয় সংসদীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। নীতি অাদর্শ এখানে শুধু ইস্তেহারে লেখার জন্য। তা নাহলে কংগ্রেসের এত বড় নেতা হঠাত্ বিজেপিতে যাবেন কেন?১৯-২০জন বিধায়ককে নিয়ে যদি কংগ্রেস ছাড়েন জ্যোতিরাদিত্য তাহলে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকারের পতন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। কমলনাথ অভিযোগ করেছেন মাফিযাদের টাকায় সরকারের পতন ঘটাতে চাইছে বিজেপি । কমলনাথের মুখে অাদর্শের কথা মানায় না। বিজেপি সরকারের অামলে ব্যাপম কেলেঙ্কারি হলেও  সরকারের অাসার পর সিবিঅাই তদন্তে ঢিলেমি নিয়ে একটিও কথা বলেন নি তিনি। না ৩৭০ ধারা নিয়ে দলের বিপরীত অবস্থান নিলে জ্যোতিরাদিত্যের বিরুদ্ধে হাইকমান্ড  কোন ব্যাবস্থাও নেয়নি।  অাসলে  ক্ষমতায় যাওয়া ও টিকে থাকাটাই সব সরকার ও দলের মূল কথা। জনগণের হিত তো শুধু কথার কথা। এর পর কি রাজস্থান?

ছবি scroll.in এর সৌজন্যে