লকডাউন জরুরি, তবে একেমন লকডাউন ? গরীবদের চলবে কী করে? টেস্টের সুবিধা কবে বাড়ান হবে?

0
54

সাতদিন ডেস্কঃ দুনিয়াজুড়ে করোনায় অাক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ ছাড়িয়েছে , মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজারের বেশি।  অবশেষে দেশের৭৫টি জেলার  সঙ্গে এরাজ্যেও লকডাউনের ঘোষণা। সোমবার বিকেল ৫টা থেকে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল সহ রাজ্যের ২৩টি জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে  লকডাউনের বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। লকডাউন চলবে ২৭ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত । স্বাস্থ্য সহ বেশ কয়েকটি জরুরি বিষয় লকডাউনের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু মুদি খানা থেকে শুরু করে মাছ মাংসের দোকান লকডাউনের বাইরে রাখার মানে কী ? এভাবে কি রাস্তায়লোক নামা বন্ধ হবে?  অার তা না হলে  সংক্রমণ  ছড়ানো ঠেকানো সম্ভব ? তাছাড়া যারা দিন অানেন দিন খান দোকান খোলা থাকলেও তাঁরা কিনবেন কী করে ? অর্থ কই? গরীব পরিবারগুলোর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ক্যাশ ট্রান্সফারের কথা দীর্ঘদিন ধরে নানা সময় বলেছেন প্রধানমন্ত্রী এখন সেটারই প্রয়োজন । জনগণকে তিনি যেন নিরাশ না করেন।

গত ২ সপ্তাহ ধরে বিমানবন্দর থেকে যাত্রীদের বাধ্যতামূলক অাইশোলেশনে না পাঠিয়ে ইতিমধ্যেই সংক্রমণ ছড়ানোর কাজটা অনেক সহজ করে দিয়েছে সরকার। তার পর ট্রেন বাস চলছিল , চলছিল সংক্রমণও।সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেছে সরকার। তার ওপর টেস্ট কিটের জোগান ও সেন্টার নাথাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক টেস্ট হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে এরজন্য প্রকৃত সংক্রমণ কতজন মানুষের মধ্যে হয়েছে তা বোঝা যাচ্ছে না। তবে সংখ্যাটা কয়েক শোর পরিবর্তে হাজারে হাজারে।এই মত পরিস্থিতিতে অারো ভেন্টিলেটর, টেস্ট কিটের কী ব্যবস্থা করল সরকার বা প্রধানমন্ত্রী তা জানালেন না। তার পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল বাড়াতে ঘন্টা বাজাতে বললেন তিনি। শহরের মধ্যবিত্তদের একটা বড় অংশ তাঁর অনুরোধ মেনে দেদার ঘন্টাও বাজালেন। বুঝতেও পারলেন না কীসের ঘন্টা বাজলেন তাঁরা?