৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী এক অধ্যাপককেও গত ৩ বছর জেলে বন্দি , কিন্তু কেন?

0
65

সাতদিন ডেস্ক ভিমা করেগাঁও মামলায় মাও তকমা লাগিয়ে অধ্যাপক অানন্দ তেলতুম্বদেকে গ্রেফতার করেছে এনঅাইএ।একইভাবে মাও যোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২০১৭ সাল থেকে নাগপুরের জেলে রয়েছেন অারেক অধ্যাপক জিএন সাইবাবা।৯০ শতাংশ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর চিকিত্সার জন্য তাঁকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। ২০১৯ সালের মার্চে তাঁর জামিনের অার্জি নাকচ করে দেয় বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ।  সেই সময় rediff.comকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে সাইবাবার স্ত্রী বসন্তাকুমারী জানিয়েছিলেন তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। এর অাগে সুপ্রিম কোর্টে সাইবাবার জামিনের অার্জির শুনানি হতে ১৪ মাস সময় লেগেছে। ২০১৮ সালে ভিমা করেগাঁও মামলায়  গ্রেফতার করা হয়েছে সাইবাবার অাইনজীবী সুরেন্দ্র গাডলিংকেও।

বসন্তকুমারী rediff.comকে জানিয়েছিলেন গুজরাট গণহত্যায় মায়াকোদনানি বাবু বজরঙ্গির মত দোষীদের স্বাস্থ্যের কারণে জামিন দেওয়া হলেও জামিন পান না তাঁর স্বামী। কারণ তাঁর অপরাধ তিনি অাসিবাসীদের হয়ে অাওয়াজ তুলেছিলেন, সরকারের বিরুদ্ধে।

 

২০১৭ সালের মার্চে  মাওবাদীদের সঙ্গে জড়িত হয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করায় দিল্লির  শারীরিক প্রতিবন্ধী অধ্যাপক জিএন সাইবাবাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সাজা শুনিয়েছে গড়চিরোলির এক আদালত।  JNU এর ছাত্র হেম মিশ্র ও প্রাক্তন সাংবাদিক প্রশান্ত রাহীকে  মহেশ তিরকি, পান্ডু নারোটিকেও একই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সাজার আদেশ দিয়েছে আদালত। অন্য অভিযুক্ত বিজয় তিরকিকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ  দিয়েছে আদালত।  দিল্লির রামলাল কলেজের অধ্যাপক সাইবাবাকে ২০১৪ সালের ৯ মে গাড়ি থেকে নামিয়ে কার্যত অপহরণ করে পরে গ্রেফতার দেখায় মহারাষ্ট্র পুলিস। অন্তত এমনটাই অভিযোগ।  দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর ২ দফায় চিকিত্সার জন্য  জামিন দেওয়া হয়েছিল সাইবাবাকে। কিন্তু ২০১৭ সালে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর জেলে বন্দি থেকে মৃত্যুর দিন গুনছেন ৯০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী এই অধ্যাপক। অার জেলের বাইরে ঘুরে বেরাচ্ছে লুটেরা, খুনি ও ধর্ষকেরা।