অারোগ্য সেতু অ্যাপস নজরদারি চালানোর হাতিয়ারঃ রাহুল গান্ধী, বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের জন্যও অ্যাপস বাধ্যতামূলক কেন্দ্রের

0
39

সাতদিন ডেস্কঃ অারোগ্য সেতু অ্যাপকে অত্যাধুনিক নজরদারি চালানোর হাতিয়ার বলে টুইট করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন জনগণকে নিরাপদে রাখার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরী, তবে তা জনগনের উপর নজরদারি চালানোর জন্য হওয়া উচিত নয় বলে মত রাহুল গান্ধীর।

কয়েকদিন অাগে সকল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ,( অাউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিযুক্ত কর্মীদেরও) অারোগ্যসেতু অ্যাপ ডাউনলোড কার্যত বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র। অ্যাপসে যদি নির্দিষ্ট কর্মীটিকে নিরাপদ বা কম ঝুঁকির বলে চিহ্নিত করা হয় তবে তিনি যেন দফতরের উদ্দেশে রওনা হন বলে জানান হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরের তরফে। বেসরকারি সংস্থার কর্মীরাও যদি অ্যাপস ডাউনলোড না করে তার জন্য সংস্থাকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। তবে এই অ্যাপসের মাধ্যমে নজরদারির  অভিযোগ রাহুল গান্ধী করার  অাগেই উঠতে শুরু করেছে নানা মহল থেকে। কিন্তু কেন?

করোনা মোকাবিলায় সম্প্রতি অারোগ্য অ্যাপস চালু করেছে কেন্দ্র সরকার। করনো ও তা থেকে বাঁচার নানা উপায় বলে দেওয়ার দাবি করা এই অ্যাপের বিরুদ্ধে এবার নজরদারির অভিযোগ উঠল। সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট অাইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করেছেন শুধু রোগের ওপর নয় নাগরিকদেরও ট্রাক করা হচ্ছে  এইঅ্যাপসের মাধ্যমে।  বৃন্দার এই পোস্ট অাসলে  huffpost ওয়েবসাইটে এই অ্যাপস নিয়ে এই রকম এক প্রতিবেদন ছাপারই জের। ও্ই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে  ভারত সরকারের ওই অ্যাপসের মাধ্যমে নাগরিকদের রিয়েল টাইম গতিবিধির উপর নজরদারি চালান হতে পারে যদি তারা কোন করোনা অাক্রান্ত রোগীর ধারেকাছে থাকেন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে এই অ্যাপসের মারাত্মক দিকটি হল অ্যাপস থেকে সংগ্রহ করা তথ্য সরকার চাইলে করোনা অতিমারির পরও ব্যবহার করতে পারে। অার তাতে অজান্তেই সম্মতি দিচ্ছেন অ্যাপস ডাউনলোডকারীরা।

করোনার সুযোগ নিয়ে সমস্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। জনগণের মতামতের কোন দামই দেওয়া হচ্ছে না। পুলিসের হাতে  জনগণের ওপর খবরদাবি করার লাইসেন্স তুলে দেওয়া হচ্ছে। এটা কোন ব্যতিক্রমই ঘটনা নয়। ৯/১১ হামলার পর থেকে অামেরিকায় নাগরিকদের ওপর নজরদারির যে বৈধতা সেদেশের সরকার হাশিল করেছিল তা এখন চলছে বলে জানাচ্ছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

করোনার নাম করে মানুষদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার শাসকদের প্রবণতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার কথা বলছেন মানবাধিকার কর্মীরা।মানুষ বড় অসহায়।একদিকে করোনা অন্যদিকে শুধু কোর না।