গ্রাহক ও কর্মীদের ওপর CESCএর দাদাগিরির দায় এড়াতে পারেনা সরকারও

0
74

সাতদিন ডেস্কঃ বিধ্বংসী অামফানের জেরে সব হারিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। তবে তাঁদের সেই সব হারানোর খবরকে ছাপিয়ে গেছে কলকাতা ও শহরতলীর মানুষের বিদ্যুত্হীন অবস্থার খবর। ৪দিন পরও শহরের বহু জায়গায় বিদ্যুত নেই। বিদ্যুত নেই জেলার বহু জায়গায়। তবে খবরের সিংহভাগ জায়গা করে নিয়েছে শহর কলকাতার নাগরিকদের বেহাল অবস্থা। কাঠগড়ায় CESC ও পুরসভা। কেন অাগাম সতর্কতা থাকা সত্বেও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি সংস্থা দুটি?

 বিশেষ করে CESC ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। চড়া বিদ্যুতের দাম দেওয়ার পরও গ্রাহকদের পরিষেবা দিতে ব্যর্থ কেন সিইএসই। সংস্থার ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের তরফে তেমন কোন স্পষ্ট জবাব অাসেনি। চেষ্টা করছি , কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হয়ে যাবে গোছের জবাব নাগরিকেদর সন্তুষ্ট করতে পারেনি। CESCএর কর্মীরা কি তাহলে কাজ করছেন না? না সমস্যাটা সেটা নয়, বরং সিইএসই দীর্ঘদিন ধরে ঠিকা শ্রমিক অস্থায়ী শ্রমিকদের দিয়েই কাজ করাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। ঝুঁকির কাজ বছরের পর বছর করে চলেছেন ঠিকা শ্রমিকেরা। বহু শ্রমিকেরও প্রাণ ও গেছে কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায়। লকডাউনের জেরে এই অস্থায়ী শ্রমিকদের কাজ না থাকায় তারা বাড়ি চলে গেছেন। ফলে কর্মী সংখ্যা কমেছে সিইএসইতে। অাসলে  বাম অামল থেকে CESC এর একচেটিয়াপনা চললেও শ্রমিক ও গ্রাহকদের প্রতি দীর্ঘদিন ধরে হয়ে চলেছে অবিচার । অার সেদিকে দেখেও দেখেনি কোন সরকার। ফলে CESCএর দাদাগিরি বেড়েছে বছরের পর বছর। এক সময় বিদ্যুত বিলে RPG লোগো ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের  থেকে অালাদা চার্জ নিত। অাজ তার মাশুল দিচ্ছেন গ্রাহকেরা ও নীচুতলার কর্মীরা। গ্রাহকদের রোষের মুখে পড়ছেন সিইএসই এর গ্যাংম্যানেরা। অসহায় পরিস্থিতিতে CESC এর  কর্মীরা ভয়ে অনেক জায়গায় স্থানীয় অভিযোগ কেন্দ্রে তালা দিয়ে পালাচ্ছেন। রোগটা গভীরে। বেসরকারি সংস্থার হাতে বিদ্যুত ছেড়ে দিলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে।