ডিসেম্বরে দেশের ৫০ শতাংশ মানুষই করোনায় অাক্রান্ত হতে পারেন অাশঙ্কা নিমহ্যান্সের চিকিত্সকের

0
297

সাতদিন ডেস্কঃ লকডাউনের চতুর্থ পর্যায় ৬৭ দিন অতিক্রান্ত। অনেকেই লাগাতার এই লকডাউনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন ইতিমধ্যেই।বিশেষজ্ঞদের একটা অংশ এই লাগাতার লকডাউনের বিরোধীও। ৩১ মে পর লকডাউন শেষের পর  সংক্রমণের মাত্রা চড়চড় করে বাড়বে বলে অাশঙ্কা প্রকাশ করেছেন  ন্যাশনল ইন্সটিটিউট অফ মেন্টাল হেল্থ অ্যান্ড নিওরোসান্সের নিউরোভায়রোলজির প্রধান ডাঃ রবি ।  দ্য নিউ ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি জানিয়েছেন জুন  মাস থেকে দেশে কোভিড সংক্রমণের হার মারাত্মক ভাবে বাড়তে থাকবে অার ডিসেম্বরের শেষে দেশের ৫০ শতাংশ জনগণ এই সংক্রমণের শিকার হতে পারেন। তবে তাঁর মতে ৯০ শতাংশ  জানতেই পারবেন না যে তাঁরা কোভিডে সংক্রমিত হয়েছিলেন। ডাঃ রবির মতে মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশের হাসপাতালে থেকে অক্সিজেনের দিয়ে চিকিত্সার প্রয়োজন হতে পারে। অার মাত্র ৫ শতাংশের ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হবে বলে মনে করেন তিনি।

৬৭দিনের লকডাউনের পর সংক্রমণ যেখানে তাতে সহজেই বোঝা যায় যে অাগামীদিনে সংক্রমণ অারো বাড়বে।দেশে অপরিকল্পিত লকডাউন ডাকায় গরিব মানুষের রাস্তায় পড়ে মরছেন। এর পর অনাহারে মরতে হবে দেশের একটা বড় অংশের মানুষকে।ইতিমধ্যে চাকরি যেতে শুরু করেছে, বেতন কমেছে বহু মানুষের।করোনা নিয়ে কোন পরিকল্পনা লক্ষ করা যাচ্ছে না। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি নিজেদের ব্যর্থতা অাড়াল করতে কখনও দিল্লির মার্কেজের জমায়েত, কখনও পরিযায়ীদের ঢাল করতে চাইছে।২ মাস অতিক্রান্ত এখন টেস্ট প্রয়োজনের তুলনায় কম। সব জেলাতে ল্যাব না থাকায় সংগ্রহ করা লালারসের নুমনা নষ্ট হচ্ছে বলে খবর। টেস্ট কম করে অাক্রান্তের সংখ্যা কম দেখিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রমাণ করতে মরিয়া সরকার। ঠিক এই সময় নিমহ্যান্সের এই চিকিত্সকের এই অনুমান যদি সত্যি হয়  তাহলে কি  হার্ড ইম্যুউনিটিই অামাদের শেষ ভরসা?