ভুলি নাই! বেদান্তের স্টারলাইটের দূষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নেমে নিহত হন ১৩জন

0
41

সাতদিন ডেস্কঃ বিশাখাপত্তনমে দক্ষিণ কোরীয় কোম্পানি এলজির কারখানায় গ্যাস লিকে করে অন্তত ১১জনের মৃত্যুর ঘটনায় ফের চর্চায় ভূপাল দুর্ঘটনা।১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন কার্বাইডের ভূুপাল কারখানায় ভয়াবহতা ছিল মারাত্মক। সেই তুলনায় এই দুর্ঘটনা অনেকটাই ছোট।  কিন্তু বহুজাতিক সংস্থার  কারখানাগুলির দূষণ ও দূর্ঘটনা নতুন নয়। এর বিরুদ্ধে মানুষ বারবার রাস্তায় নেমেছে। সাম্প্রতিক অতীতে তামিলনাড়ুর তুতিকোরিনে বেদান্তের স্টারলাইট কারখানার দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করে ২০১৮ সালের ২২ ম‍ে পুলিসের গুলিতে নিহত হন অন্তত ১৩জন স্থানীয়। এর পর ২০১৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাজ্য সরকার বাধ্য হয়ে বন্ধ  করার নির্দেশ দেয় স্টারলাইটকে।ছলে বলে কৌশলে কারখানা খোলার নানা চেষ্টা করছে স্টারলাইট। ভয় দেখায় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গ্যাস লিকেরও।

  স্টারলাইটের দূষণের জেরে কারখানা বন্ধের দাবিতে  ১০০দিন ধরে অান্দোলেন পর ২০১৮ সালের ২২ মে জনতার বিক্ষোভে পুলিস গুলি চালালে নিহত হন অন্তত ১৩জন। অবস্থা বেগতিক দেখে গত ২৮ মে কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার। কিন্তু কারখানা খোলার নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বেদান্ত। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের কাছে পুনরায় পরিবেশের বিষয় ছাড়পত্রের জন্য অাবেদন করেছে স্টারলাইট। ১৩জনের নিহত হওয়া সত্ত্বেও ও কারখানা বন্ধের রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের পরও স্টারলাইট কারখানা খোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।নানা মহল থেকে মদতও পাচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে।

এদেশে কারখানাগুলি থেকে পরিবেশ দূষণ এবং দুর্ঘটনা বারবার ঘটেছে। সাময়িক হইচই এর পর সব ধামাচাপা পড়ে যায়। দেশের অার্থিক উন্নয়নের ধুঁয়ো তুলে ফের চালু হয়ে যায় বন্ধ কারখানা। বা সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় অন্যত্র। এই ভাবেই কি চলবে এদেশে!