মানুষ না খেতে পেয়ে মরছে সরকারের টাকা নেই! অার সরকারি ব্যাঙ্কের ৪১১ কোটি টাকা লুট করে ৩জন বিদেশে পালনোর পর অভিযোগ দায়ের

0
45

সাতদিন ডেস্কঃ এদেশে পরিযায়ী বা অতিথি শ্রমিকদের খাবারের জন্য সরকারের কাছে টাকা নেই। অথচ সরকারি ব্যাঙ্কের টাকা লুট করে বিদেশে পালানোর তালিকায় ক্রমশই বাড়ছে। সম্প্রতি ৪১১ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে সিবিঅাই এর কাছে। পাঞ্জাবে বাসমতি চালের রফতানিকারী রামদেব ইন্টারন্যাশনল নামের ওই সংস্থার তিন কর্তা  নরেশ কুমার, সুরেশ কুমার ও সঙ্গিতার বিরুদ্ধে সিবিঅাই এর কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০।  স্টেট ব্যাঙ্ক ( ১৭৩ কোটি টাকা ) সহ ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের থেকে ৪১১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ না করে বিদেশে পালিয়েছে ওই ৩জন। ঋণ খেলাপির এই ঘটনা পুরনো হলেও সিবিঅাই এর কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে সম্প্রতি জানাচ্ছে সংবাদ সংস্থা পিটিঅাই। করোনার জেরে দেশজুড়ে লকডাউনের পরিস্থিতিকে এখনও তল্লাশি শুরু করতে পারেনি সিবিঅাই।

স্টেট ব্যাঙ্ক ছাড়া কানাড়া ব্যাঙ্ক, করপোরেশন ব্যাঙ্ক, অাইডিবিঅাই, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক ও সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের কনসোর্টিয়াম থেকে ঋণ নিয়েছিল বাসমতি চাল রফতানিকারী সংস্থাটি। ঋণ এনপিএ তে পরিণত হওয়ার বছর খানেক পরে সিবিঅাই এর কাছে অভিযোগ জানায় ব্যাঙ্ক। ততদিনে প্রতারক পালিয়েছে বিদেশ।

এদেশে ব্যাঙ্ক থেকে বিশেষ করে সরকারি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে শোধ না করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার তালিকা ছোট নয়। শুধু বিজয় মালিয়া বা নীরব মোদি নয়। গুজরাটের একাধিক সংস্থা রয়েছে এই তালিকায়। সরকার জেগে ঘুমোয় না এদের সঙ্গেই ঘুমোয় তা বলা মুশিকল। তবে জনগণের করের ১০ লক্ষ কোটি টাকার ও বেশি এনপিএ হলেও কোন কেউ কেটার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা তাদের নাম প্রকাশ করতে সাহস দেখাতে পারেনা। সরকারের অাশ্রয় ও প্রশ্রয় ছাড়া এই গ্রেট ইন্ডিয়ান ব্যঙ্ক রবারি চলতে পারে না বলে মত অনেকের।

লকডাউনের জেরে না খেতে পেয়ে বাধ্য হয়ে গ্রামে ফিরতে গিয়ে গাড়িতে পিষে যাচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। তাঁদের হাতে টাকা দেওয়ার মত টাকা নেই সরকারের। অথচ একের পর এক ব্যবসায়ীরা সরকারি ব্যাঙ্ক লুট করে চলেছে দিনের পর দিন।