লকডাউনের ৪৬দিন পর খারাপ পরিস্থাতির জন্য দেশবাসীকে তৈরি থাকতে বলার মানে কী?

0
162

সাতদিন ডেস্কঃ শুক্রবার লকডাউনের ৪৫তম দিনে , কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব অাগরওয়াল জানিয়েছিলেন দেশবাসীকে করোনা নিয়ে চলতে অভ্যস্ত হতে হবে। অার তার ২৪ ঘন্টার মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন উন্নতদেশগুলির মতন খারাপ পরিস্থিতি হবে বলে অাশঙ্কা  না করলেও অামাদের সবথেকে খারাপটার জন্য তৈরি থাকতে হবে। এর পর কিছু অাশার কথা শুনিয়েছেন তিনি। এদেশে করোনায় মৃত্যুর হার ৩.৩%, করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার হার ২৯.৯ শতাংশ ইত্যাদি ইত্যাদি।

 কিন্তু কেন লকডাউনের ৪৬ দিনের মাথায় দেশবাসীকে করোনার সঙ্গে ঘর করার অভ্যাস করে ওঠার কথা বলা হচ্ছে ?কেন খারাপ পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হচ্ছে? পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে লকডাউনের সুফল পুরোপুরি তুলতে পারেনি দেশ। কারণ লকডাউন পর্যায় যে সংখ্যায় টেস্ট করা দরকার ছিল  সরকারের তরফে তার ১০ শতাংশের মত করা হয়েছে। ফলে বহু অাক্রান্ত জানেনই না যে তিনি করোনা পজেটিভ। মনের অজান্তেই তিনি ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন করোনা। সংক্রমিত হচ্ছেন বহু মানুষ।টেস্ট কমিয়ে অাক্রান্তের সংখ্যা অাপাতভাবে কম  দেখান গেলেও বিপদ কমান যায়নি।এটা এখন বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছে সরকার। অার লকডাউনও যে অনন্তকাল টেনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় তাই বুঝতে পেরেছে সরকারের পরামর্শদাতারা।

সময়মত অান্তর্জাতিক বিমান বন্ধ না করে যে ভুল সরকার করেছে তার খেসারত দিতে হচ্ছে দেশবাসীকে। প্রাথমিকভাবে লকডাউন অনির্বাযতা হলেও তাকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিপূরক ব্যবস্থা সরকার করে উঠতে পারেনি। তাই গরিব মানুষের মধ্যে একধিকে বাড়ছে ক্ষোভ অন্যদিকে মরিয়া হয়ে গ্রামে ফিরছেন তাঁরা। ফলে করোনা ছড়িয়ে পড়ার অাশঙ্কাও বাড়ছে।টেস্ট , হাসপাতাল শয্যা সবটাই যে অপ্রতুল তা বিলক্ষণ জানে সরকার। অার জানে বলেই এখন করোনার সঙ্গে ঘর করার কথা বলা হচ্ছে। নিজেদের থেকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে সব দায়। কিন্তু তা কি সম্ভব?